সমালোচনার জবাব ‘মৃত্যুদণ্ড’ হয় না ………আ স ম রব

Share

পদ্মা সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই সরকারের বক্তব্য জনগণের আনন্দকে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে উল্লেখ করে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব গণমাধ্যমে নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেন।

সমালোচনার জবাব কোনভাবেই ‘মৃত্যুদণ্ড’ হয় না। ‘সমালোচনা’ এবং ‘মৃত্যুদণ্ড’ সমকক্ষ নয়। আদালতও কাউকে সেতু থেকে ‘টুস’ করে ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিতে পারেনা, সরকার তো দূরের কথা। আর রাষ্ট্র কোন নাগরিকের মর্যাদাও ক্ষুন্ন করতে পারে না। মর্যাদা ক্ষুন্ন করা রাষ্ট্রের এখতিয়ার বহির্ভূত।

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে পারাপারের জন্য, জনগণকে ফেলে দেয়ার জন্য নয়। এটা একটা সেতু, ফায়ারিং স্কোয়াডের ন্যায় শাস্তি প্রয়োগের কোন ‘স্থাপনা’ বা ’বধ্যভূমি’ নয়।

সরকারের বিবেচনা ও ঔচিত্যবোধ বিস্ময়কর। দেশের নাগরিককে টুস করে নদীতে ফেলে দেয়া বা পানিতে চুবানি ‘উচিত’-এই ‘মূল্যবোধ’ এবং ‘রাজনৈতিক দর্শন’ সরকার ও দেশের জন্য চরম সর্বনাশ ডেকে আনবে। জিঘাংসার উপকরণ যোগানো সরকারের কর্তব্য নয়, এতে সমাজের মানবিক শৃঙ্খলা ভেঙ্গে পড়বে। বর্তমান সরকার নিজেই প্রমাণ করছে ‘আইনের শাসন’, ‘গণতন্ত্র’ এবং ‘মানবিক মর্যাদা’ সুরক্ষায় সরকার অনুপযুক্ত। ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়’– এই অনিবার্য সত্যকে যত দ্রুত উপলব্ধি করতে পারবে, সরকার এবং আওয়ামী লীগের জন্য ততই মঙ্গলজনক হবে।

সরকারের বিবেচনা ও ঔচিত্যবোধ বিস্ময়কর। দেশের নাগরিককে টুস করে নদীতে ফেলে দেয়া বা পানিতে চুবানি ‘উচিত’-এই ‘মূল্যবোধ’ এবং ‘রাজনৈতিক দর্শন’ সরকার ও দেশের জন্য চরম সর্বনাশ ডেকে আনবে। জিঘাংসার উপকরণ যোগানো সরকারের কর্তব্য নয়, এতে সমাজের মানবিক শৃঙ্খলা ভেঙ্গে পড়বে।

বর্তমান সরকার নিজেই প্রমাণ করছে ‘আইনের শাসন’, ‘গণতন্ত্র’ এবং ‘মানবিক মর্যাদা’ সুরক্ষায় সরকার অনুপযুক্ত।

‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়’- এই অনিবার্য সত্যকে যত দ্রুত উপলব্ধি করতে পারবে, সরকার এবং আওয়ামী লীগের জন্য ততই মঙ্গলজনক হবে।

Leave A Reply