বাজারের সিন্ডিকেটের প্রধান আওয়ামী লীগের নেতারা: ফখরুল,ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট সরকার নিয়ন্ত্রণ করছে: ন্যাপ

Share

দব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারা দেওয়া এক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, করোনাকালে এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জিনিসপত্রের দাম সব জায়গায় বেড়েছে। আমি উনাকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ কবে থেকে শুরু হলো? আর কবে থেকেই দেশের মানুষ চিৎকার করছে যে, তেলের দাম কমাও, চালের দাম কমাও, ডালের দাম কমাও, আমরা আর পারছি না।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে যুবদল আয়োজিত সমাবেশ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, সারাদেশে প্রকৃতপক্ষে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে। মানুষ বলতে পারে না। ওই টিবিসির ন্যায্যমূল্যে ট্রাকের পেছনে গিয়ে দাঁড়ায় মুখোশ পরে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে যত চাঁদাবাজি, যত ঘুষ খাওয়া সব কিছুর মূলহোতা আওয়ামী লীগ। তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই তারা জনগণের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাওয়ার চেষ্টা করেছে। ১৯৭২-৭৫ সাল একই অবস্থা ছিল এবং তাদের অযোগ্যতা, দুর্নীতির কারণে দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল, লাখ মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিল।

অবৈধ ব্যবসায়ী-সিন্ডিকেট শুধু বাজার নয়, সরকারকেও নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকার লুটেরা ও মুনাফাখোরদের পাহারাদার হিসেবে ব্যবসায়ী-সিন্ডিকেটকে রক্ষা করে চলেছে।

বুধবার নয়াপল্টনে যাদু মিয়া মিলনায়তনে ‘৯ মার্চ মওলানা ভাসানীর বক্তব্যের স্মরণে’ বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া এ অভিযোগ করেন।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের পর ৯ মার্চ মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীর বক্তব্য সমগ্র জাতিকে সংগ্রামী ও বিপ্লবী আগুনে পুড়িয়ে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে পৌঁছে দেয়। জাতির অন্তরে রাষ্ট্রের অনিবার্যতা স্পষ্ট হয় ও বিপুল শক্তির জন্ম দেয়।

গোলাম মোস্তফা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বদলে সরকার এখন মুক্তবাজার দর্শনের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করছে। সরকারের বাজার তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের অভাবে ব্যবসায়ী-সিন্ডিকেটরা দাম বাড়িয়েই চলছে। করোনার আঘাতে মানুষ যখন বিপর্যস্ত তখন দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়ার ধাক্কায় মানুষের জীবন চরম হুমকির মধ্যে পড়েছে।

বাংলাদেশ ন্যাপ সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. কামাল ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, দলের ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম-মহাসচিব মো. মহসীন ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মিতা রহমান, মহানগর প্রচার সম্পাদক বাদল দাস, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, জাতীয় নারী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক নাজমা রহমান, সহ-সভাপতি জীবন নাহার, যুগ্ম-সম্পাদক আনোয়ারা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক কাকলি রহমান প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।

Leave A Reply