ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম মুক্ত বাংলাদেশ এবং প্রেক্ষিত সিলেট শহর

Share

(ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সরকার ও বিভিন্ন এনজিও কাজ করে যাচ্চেছ। বাংলাদেশে ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম বিলোপ করার জন্য সরকার ও তাদের বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগি এনজিওরা সক্রিয় রয়েছে। দেশের বাইরে বসবাসরত অনাবাসী বাঙালীরাও এই অমানবিক শিশু শ্রম বন্ধের জন্য সরকারও এনজিও দের সাথে কাজ করার ও অংশীদার হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। অনিবাসী বাংলাদেশীদের প্রেরণায় ইউকে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাস্ট বা `আকবেটম্’ নামে একটি বেসরকারি সংগঠন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ডের গোটাটিকর এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধ করে কিভাবে পথ শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা যায় এর একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পটিকে ইউএসএ, ইউকে ও বাংলাদেশ থেকে কয়েকজন শুভাকাংখী সমর্থন প্রেরণা ও উৎসাহ জুগিয়ে চলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্ব সিলেট সম্মেলন, জালালাবাদ এসোসিয়েশন ইউকে, জাস্ট হেল্প ফাউন্ডেশন ইউকে। গোটাটিকর ও টুকেরবাজারে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধ ও নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ইউকেবিএটি – এর গৃহীত কর্মসূচি নিয়ে নিচের সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনটি লিখেছেন লন্ডন থেকে সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বাসন।)

শিশুশ্রম মুক্ত বাংলাদেশ ২০২৫

বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালে ৩৮ প্রকার কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং এইসব কাজে ১৮ বছরের নীচে কাউকে নিয়োগ করা নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারি পরিসংখ্যানে দেখা যায় প্রায় ১২ লাখ শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজে জড়িত রয়েছে। সিলেটে প্রায় ৩ হাজার শিশু ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রমে জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়, তবে যেহেতু কোন হালনাগাদ পরিসংখ্যান নেই, তাই অতিমারির সময়ে এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। সিলেট নগরীর লাউয়াই, কদমতলী ও টুকের বাজার এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে জড়িত বলে ইউকেবিএটি- এর সংগৃহীত তথ্য থেকে জানা যায়।
হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও বাসা বাড়ীর কাজ ছাড়াও দরিদ্র ও শ্রমজীবী পরিবার থেকে আসা শিশুরা যেসব বিপদজনক কাজে নিয়োজিত থাকে এগুলো হল: গাড়ির মেরামতের ওয়ার্কশপ, ওয়েল্ডিং ও লেদ মেশিনের কারখানা, সিএনজি, লেগুনা ও অন্যান্য যাত্রীবাহী গাড়ির হেল্পার। উপরিল্লেখিত কাজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম হিসেবে খোলা চোখে ধরা পড়লেও এগুলো বিনা বাধায় অব্যাহত রয়েছে। এর পাশাপাশি শিশুরা আরো যেসব ঝুকিপূর্ণ কাজ করে থাকে তা হলো রাস্তার আবর্জনা থেকে শিশি বোতল, মেডিক্যাল পরিত্যক্ত স্যালাইন ও টিউব ইত্যাদি বিপদজনক দ্রব্য। পথশিশুরা এসব বিপদজনক দ্রব্য সংগ্রহ করে ভাংগাড়িদের নিকট বিক্রি করে। এসব বর্জ্য সংগ্রহ করতে করতে এক সময় শিশুরা বিভিন্ন চর্মরোগে আক্রান্ত হয়, এ ছাড়াও তারা স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ যেমন: ফুসফুসের রোগ, হৃদরোগ, পাকস্থলীতে ঘা, শরীরে এলার্জি, ঘষা জনিত কারনে চামড়ার প্রদাহ, দুর্ঘটনা জনিত আঘাতে অঙ্গহানি, শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি লোপ এবং শারীরিক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া।
উল্লেখ্য, বাসা বাড়িতে কাজের লোক হিসেবে যেসব শিশুদের নিয়োগ করা হয় তারা রান্না ও ইস্ত্রি করতে গিয়ে অনেক শিশু মারাত্মক ভাবে আহত হয়। আমাদের চোখের সামনে এসব ঘটনা অহরহ ঘটলেও এসব ঘটনা গা সওয়া হয়ে গেছে। সামাজিক সচেতনতা না থাকার কারনেই শিক্ষিত ও সচ্ছল মানুষের চোখের সামনেই দিন দিন পথশিশুরা নিগৃহীত হয়ে চলেছে। তবে আশার আলো এই যে, ২০২৫ সালের মধ্যে শিশু শ্রম বিলোপের সরকারি উদ্যোগের সাথে দেশীয় এনজিও অনিবাসী বাংলাদেশীদের সংযুক্ত হওয়ার প্রচেষ্ঠা পরিলক্ষিত হচ্ছে।

শিশুশ্রম বন্ধে বিশ্ব সিলেট সম্মেলনের ডাক

প্রসঙ্গক্রমে বলা যায়, অতি সম্প্রতি বিশ্ব সিলেট সম্মেলন ২০২১ নামে একটি ব্যতিক্রমধর্মী আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে মাননীয় মন্ত্রী বর্গ, বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ নিয়ে আলোচনার জন্য আমন্ত্রন জানানো হয়। বিদগ্ধ জনেরা উন্নয়নের স্বার্থে সরকারকে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে পরামর্শ দিয়েছেন। বিশ্ব সিলেট সম্মেলনের সচিব যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ডা: জিয়াউদ্দিন আহমদ এই সম্মেলনকে একটি আন্দোলন হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে অনাবাসি ও দেশী বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষকে একত্রিত করে কাজ করার জন্য বিশ্ব সিলেট সম্মেলন একটি আন্দোলন হিসেবে কাজ করবে। তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ খাতে কাজ করার জন্যে এই বিশ্ব সিলেট সম্মেলন অঙ্গীকার ঘোষনা করছে।
বিশ্ব সিলেট সম্মেলনের ডাকে সাড়া দিয়ে সিলেটের পরিবেশ রক্ষার আন্দোলন জোরদার হচ্ছে, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সংগঠক আব্দুল করিম কিম নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ক্যাডেট কলেজের পাশে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গণকবর চিহ্নিত করে সেখানে স্মৃতি সৌধ নির্মানের আহবান জানানো হয়েছে সিলেট সম্মেলনের উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে।
এখানে উল্লেখযোগ্য যে, ২৯ বছর আগে লন্ডনের কমিউনিটি নেতা মরহুম তাসাদ্দুক আহমেদর প্রেরণায় টাওয়ার হ্যামলেটস কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল অ্যানেট জেরার নেতৃত্বে কতিপয় দানশীল ব্যক্তিদের অর্থায়নে লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইউকে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাস্ট। ইউকে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাস্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের সাথে প্রায় তিন দশক ধরে গ্রামীণ এলাকায় ইংরেজি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া, নারীর ক্ষমতায়ন ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজে সক্রিয় রয়েছে। জালালাবাদ এসোসিয়েশন ইউকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম মুক্ত সিলেট শহর গড়ার কাজে আকবেটের অংশীদার হয়েছে। সেই সাথে জাস্ট হেল্প ফাউন্ডেশন ইউকে ও শহীদ ডা: শামসুদ্দিন আহমেদের পরিবার ও যুক্তরাজ্যের লুটন প্রবাসি মিসেস কৈতুনন্নেছা ও তার পরিবারের সদস্যরাও এই উদ্যোগে শরীক রয়েছেন।

সিলেট শহরে শিশু শ্রম বন্ধে ইউকে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাস্টের কর্মসূচি

প্রসংগত উল্লেখযোগ্য যে,  ইউকে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাস্ট ২০১৩ সাল থেকে সিলেট নগরীতে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিয়োজিত শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষন দিয়ে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প হাতে নেয়। এই প্রকল্পের আওতায় শিশুদের স্কুলে ভর্তি করা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানোর পাশাপাশি শিশুর পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়া হয়। ইউকে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাস্টের এই কাজকে সফল করার জন্যে জালালাবাদ এসোসিয়েশন ইউকে, জাস্ট হেল্প ফাউন্ডেশন ইউকে ও বিশ্ব সিলেট সম্মেলনের উদ্যোক্তারাও এগিয়ে এসেছেন।


তাদেরই প্রেরণায় ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম মুক্ত সিলেট শহর গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সিলেট নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ডে ৫০ জন পথশিশু নিয়ে একটি পাইলট প্রকল্প চালু করা হয়েছে। টুকের বাজারে নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। সম্প্রতি শেষ হওয়া বিশ্ব সিলেট সম্মেলন প্রেরণায় ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন ইউকে, জাস্ট হেল্প ফাউন্ডেশন ইউকে এবং ইউকে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাস্ট ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম মুক্ত সিলেট শহর গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে গোটাটিকরে সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ডে ৫০টি শিশু ও টুকের বাজার এলাকায় নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরো ৫টি (আরো বেশি হতে পারে) ওয়ার্ড যেখানে শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে নিয়োজিত রয়েছে সেসব এলাকার শিশুদের নিয়ে কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেবে বলে ইউকে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাস্ট এর কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব আসাদুজ্জামান সায়েম জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ২০১৩ সাল থেকে আকবেট এই প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছে। ইদানীং ইউএসএ ও ইউকে  থেকে আকবার শুভাকাঙ্খীরা যোগ দেয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম মুক্ত সিলেট নগরী গড়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আরো সহজ হবে আকবেট ইউকেবিটি আশা প্রকাশ করে।

ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম মুক্ত সিলেট শহর গড়তে হলে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে হবে

উপসংহারে বলা যায়, বিশ্ব সিলেট সম্মেলনের উদ্যেক্তারা ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম মুক্ত সিলেট শহর গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ইউকেবিএটির-এর প্রকল্পকে সহযোগিতার মাধ্যমে একটি নতুন পথের সন্ধান দিতে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে অনাবাসি বাংলাদেশীরা পার্টনারশীপের মাধ্যমে ব্যবসা বাণিজ্য করেছেন। এখন সময় এসেছে এনআরবিদের দক্ষতা বিনিময় করে সামাজিক উদ্যোগগুলোকে সহায়তা দেয়া। বাপা, এফআইভিডিবি, আকবেট, ইনোভেটর এর বই পড়া সহ যেসব সংগঠন সিলেটে কাজ করছে তাদেরকে সহযোগিতা করা। এনজিও কর্মীদের সাংগঠনিক দক্ষতা বাড়ানোর জন্যে ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা। প্রকল্পগুলোতে লায়ন্স ও রোটারির সাথে জড়িত তরুণদের কে অংশীদার করা, তরুণদের অংশীদার না করা পর্যন্ত কোন প্রকল্পই সফল হবে না। কারন এখন তথ্য প্রযুক্তির যুগ, আন্তর্জাতিক বিশ্বের সাথে কাজ করতে হলে ইংরেজি ভাষা জানাটা আবশ্যক। শিশুশ্রম বন্ধ ও নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ উন্নয়ন নিয়ে যেসব সংগঠন কাজ করছে তরুণ তরুণীদের তাদের সাথে সম্পৃক্ত করতে পারলে বিশ্ব সিলেট সম্মেলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সফল হবে। গড়ে উঠবে সুন্দর সিলেট। এই হোক নতুন বছরের আমাদের সকলের প্রত্যাশা।

নজরুল ইসলাম বাসন: সাংবাদিক, কলামিস্ট 
১লা জানুয়ারী ২০২২

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালে ৩৮ প্রকার কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে এবং এইসব কাজে ১৮ বছরের নিচে নিয়োগ নিষিদ্ধ করে। কিন্তু বিভিন্ন  সরকারী ও বেসরকারী হিসেবে দেখা যায় প্রায় ১২ লাখ ৮০ হাজার শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজে জড়িত আছে। যেমনঃ গাড়ির ওয়ার্কশপ, ওয়েল্ডিং ও লেদ মেশিনের কারখানা, সিএনজি, লেগুনা বা গাড়ির হেলপারের কাজ ইত্যাদি। এছাড়াও রাস্তার আবর্জনা থেকে বোতল, কাগজ ইত্যাদি সংগ্রহ ও বিক্রি, বাসা বাড়িতে গৃহভৃত্যের কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াধীন। এসব শিশুরা বিভিন্ন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক সমস্যা যেমনঃ ফুসফুসের রোগ, হৃদরোগ, পাকস্থলীতে ঘা, এলার্জি, ঘষা জনিত চামড়ার প্রদাহ, দুর্ঘটনাজনিত আঘাত, অঙ্গহানি, শ্রবণশক্তি লোপ এবং শারীরিক এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। ইউকে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাস্ট (আকবেট) ২০১৩ সাল থেকে সিলেটে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে নিয়োজিত শিশুদের শিক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য প্রকল্প পরিচালনা করে আসছে। যার আওতায় ঝুঁকিপূর্ণ ও গৃহস্থালীর কাজে নিয়োজিত প্রায় ১৫০০ শিশুকে নিয়ে কাজ করছে এবং ৫০০ শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমের বাইরে নিয়ে এসেছে।
সম্প্রতি আকবেট বিশ্ব সিলেট সম্মেলন, জালালাবাদ এসোসিয়েশন ইউকে, জাস্ট হেল্প ইউকে সহ আরো প্রবাসীদের সহযোগিতায় ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ ও বিক্রির কাজে নিয়োজিত শিশুদের শিক্ষা ও পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পে শিশুদের স্কুলে পাঠানো বা কারিগরি প্রশিক্ষণে  ভর্তি পাশাপাশি শিশুর পরিবারের আর্থিক উন্নয়ন নিশ্চিত এবং জনসাধারণের মধ্যে শিশুশ্রম বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ডের ৫০ জন শিশু নিয়ে একটি পাইলট প্রকল্প চালু করা হয়েছে।  আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যত। আসুন সবাই মিলে প্রতিটি শিক্ষা ও স্বাভাবিক বেড়ে উঠার অধিকার নিশ্চিত করে স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে আসি।)

Leave A Reply