ভারতে পাচার ১৯ বাংলাদেশি নারীকে ফেরত

বিভিন্ন সময় ভালো কাজের প্রলোভনে ভারতে পাচার হওয়া ১৯ বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধারের পর ট্রাভেল পারমিটে ফেরত পাঠিয়েছে ভারতীয় পুলিশ। ৩ থেকে ৫ বছর আগে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত পথে এদের ভারতে পাচার করা হয়েছিল।
ফেরত আসা নারীদের বাড়ি কক্সবাজার, ঢাকা, ফরিদপুর, নারায়ণগঞ্জ, নড়াইল ও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায়। এদের বয়স ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রাত ৮টায় এসব নারীদের ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ট্রাভেল পারমিটে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে হস্তান্তর করা হয়। এ নিয়ে গত এক মাসে ভারতে পাচার হওয়া ১০২ জন বাংলাদেশি নারী, শিশুকে উদ্ধারের পর ফেরত পাঠানো হলো।

পাচার প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করা এনজিও সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার এসব নারীদের মধ্যে ১২ জনকে, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি ১ জন ও রাইটস যশোর ৬ জনকে আইনি সহায়তা দিবে।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের সিনিয়র প্রোগ্রামার অফিসার মুহিত হোসেন জানান, সংসারে অভাব অনটনের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় ভালো কাজের কথা বলে দালালরা এদের ভারতে পাচার করে । পরে ভাল কাজ না দিয়ে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করে। পরে ভারতীয় পুলিশ খবর পেয়ে তাদের পাচারকারীদের খপ্পর থেকে উদ্ধার করে আদালতে পাঠায়। সেখান থেকে তাদের আশ্রয় হয় ভারতীয় এনজিও সংস্থার শেল্টার হোমে। পরে উদ্ধারকৃতরা বাংলাদেশি কিনা তা যাচাই করে কাগজ পত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ট্রাভেল পারমিটে এরা ফিরে আসছে। এদেরকে আইনি সহায়তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কাজ করবে এনজিও সংস্থাগুলো।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি মুজিবুর রহমান জানান, ১৯ নারীকে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষে বন্দর থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে ৩টি এনজিও নারীদের আইনি সহায়তা দিতে গ্রহণ করেছে।