প্রানের দাবি সেনাবাহিনী দিয়ে রামগতি কমলনগর উপকূল বাঁধ চাই

প্রানের দাবি প্রানে হয়তো আঘাত হানবে নীতিনির্ধারক।
প্রানের দাবি নদী ভাঙ্গনকৃত রামগতি কমলনগর ভাঙ্গন ক্ষত দূর করতে নদী শাসনের দাবিতে সেনাবাহিনী দিয়ে বাঁধ ও ডুবোচর ড্রেজিং করে রামগতি ও কমলনগর উপকূল বাসীকে রক্ষা করা।

ভাঙ্গল খেলা দীর্ঘ প্রতিকারে আন্দোলন ও সংগ্রাম দীর্ঘ। সেই ১৯৯৬ থেকে ২০২১ ভাঙ্গল খেলা চলমান। দুঃখ শত ভাঙ্গনক্ষত ধ্বংস্তুপ আর ধ্বংসলীলার নাম অর্ধাঙ্গী রামগতি কমলনগর। যা ছিলো পূর্ন তা আজ মেঘনার গ্রাসে অর্ধপূর্ন।কমলনগর রামগতির মাএচিএ ক্ষত বিক্ষত।

এই ক্ষত পূরনে আজ আশার আলো উঠেছে মেঘাচ্ছন্ন আকাশে। কারা জানি সেই আলো অন্ধকারে ঢেকে দিতে চায়। ৩১শত কোটি টাকা স্বপ্ন পূরনে বিশাল বাজেট।
ভাঙ্গাগড়ার মহাপ্লাবনে এই স্বপ্ন রামগতি কমলনগর বাসীর প্রত্যাশা ছিলো। প্রত্যাশা প্রস্ফুটিত হয়েছে।
প্রত্যাশিত প্রস্ফুটিত স্বপ্ন যেন কমিশন বানিজ্যে লুটে পরিনত না হয়। সাত লক্ষ মানুষের প্রানের দাবি নিরাপদ আবাসন ও নদী ভাঙ্গন মুক্ত টেকসই উপকূল বাঁধ চাই এবং বাঁধ হতে হবে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী দিয়ে। এই দাবি ন্যার্যতার প্রশ্নে কেননা ঠিকাদার দিয়ে পূর্বে করা বাঁধ গুলো মানসম্মত হয়নি কমলনগরে ৪২কোটি টাকার বাঁধে অনিয়মের বলিদানে দশ বারের অধিকার ভাঙ্গন ক্ষত দৃর্শমান। তাই জনগন আপসহীন প্রতিবাদে অধিকার আদায়ে সোচ্চার। ঢাকা নোয়াখালী লক্ষ্মীপুর কমলনগর রামগতি ভিবিন্ন ব্যানারে নদী শাসনের দাবিতে স্হানে স্হানে রামগতি কমলনগর বাসী মানববন্ধন করেছে।দাবি একটাই সেনাবাহিনী দিয়ে বাঁধ চাই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বাজেট বরাদ্দ মহান মহতি দিয়েছেন তার সহানুভূতি অভিপ্রায়ে দৃষ্টান্ত হতে পারে কমলনগর রামগতি নদী শাসন প্রকল্প উপকূল বাঁধ।
জনতার চাওয়াকে বাজেট বরাদ্দ দিয়ে বাস্তবায়নে রুপ দানে প্রশসংনীয় জনবান্ধন উন্নয়নের রুপকার জননেএী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশাল বাজেটের এই উন্নয়নের রুপ যেন ঠিকাদার কান্ডে কমিশন বানিজ্যে বিনষ্ট না হয়।
রামগতি কমলনগর বাসীর আকুতি।
ঠিকাদার দিয়ে কাজ করার প্রত্যয়ে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে।
কিছু টেন্ডার হয়েছে ও বটে প্রতিবাদে সব হারানো জনতা টেকসই বেঁড়িবাধে সেনাবাহিনী চাই প্রতিবাদে রাজপথে। মিডিয়া তুলে ধরেছে যথাযথ ভাবে।
রামগতির একাংশ সেনাবাহিনী দিয়ে কাজ করা হলে ও ৩১শত কোটি টাকার বিশাল বাজেটের কাজ সেনাবাহিনী দিয়ে করতে প্রতিবন্ধকতা কোথায়?জনগনের আস্হা সেনাবাহিনী ঠিকাদার নয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বালু বর্তি বস্তা বাঁধ কমলনগরের বাঘার হাট তথা রামগতির আশোলপাড়ার বস্তাবাঁধ জলে ভেসে গেছে।ফলে উন্নয়নের টাকা জলে দুঃখ ফিরে ফিরে আসে।মহামুক্তির জন্য সেনাবাহিনী দিয়ে বাঁধের বিকল্প নেই।
কমলনগরে আপাদ কালীন ৭কোটি টাকার কাজ গায়েব। দৃর্শমান নেই।
এখনো দেশদ্রোহী রক্তচোষা কমিশন বানিজ্যেরা ঔত পেতে আছে। লুটে নিতে হাজারো মানুষের স্বপ্ন। জননেএীর উন্নয়ন লুট করে হাইব্রিড দলবাজেরা।এরা দল করেনা দলবাজী করে। এদের চিহ্নিত করা সময়ের দায়ী।এই লুটেরাদের বুলি ভেঙ্গেছে ভাঙ্গুক তাতে আমার কি?তার চাই কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা।

এই অবৈধ উপায়ে টাকা বনে যাওয়া শোষকদের বাঙালি জাতির জনক হাজার বছরের শ্রেষ্ট সন্তান মহান মহতি বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্যের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চাটার বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এই শোষকেরাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলা নির্মানে অন্তরায়।দেশ মাতৃকার প্রয়োজনে মহানুভব হন লুটেরা নয়।কমলনগর রামগতি আমার আপনার জন্মভূমি।টি মানুষের সাথে প্রতারনা নয়।আসুন লুটেরাদের রুঁখে দেই।
জননেত্রীর বরাদ্দকৃত উন্নয়ন কে সৃষ্টির নন্দনিকতায় রুপ দানে সচেষ্ট থাকি।
রামগতি কমলনগর বাসী নদী শাসনে বরাদ্দ পাশ হওয়ার পর
নদী বাঁধ আপডেট নিউজ পেতে থাকলে ও পরিশেষে রামগতি কমলনগর বাসীকে ঘুমে রেখে টেন্ডার আহ্বান।

প্রতিবাদ প্রতিরোধে বীর জনতা রাজপথে ফলে লক্ষ্মীপুর রামগতি কমলনগর আসনের এমপি মহোদয় মেজর অবঃ আবদুল মান্নান সামাজিক মাধ্যমে নদী বাঁধে সমস্যা সমাধানে করণীয় বিষয় তুলে ধরেছেন এবং স্বপ্নবিলাসী নদী ভাঙ্গা জনগণকে আশান্বিত করেছেন।
সংসদ অধিবেশনে নদী বাঁধ বিষয়ে বক্তব্য উপাস্হাপন করবেন নেএীর সাথে দেখা করে সেনাবাহিনী দিয়ে কাজ করার প্রদেক্ষেপ গ্রহন করবেন।
আমরা ও হতাশাগ্রস্হ জনগন আশাবাদী।
ভাঙ্গনক্ষত হৃদয় নিংড়ানো জমিনে হোক স্বপ্নের আবাদ।সেনাবাহিনী দিয়ে কাজ হোক এটাই মোদের চাওয়া।
শিব্বির দেওয়ান
যুগ্ন আহ্বায়ক জাতীয় যুব পরিষদ কমলনগর।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: