১০ বছরের সাজা হতে পারে সু চির

মিয়ানমারে একদিকে চলছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই, অন্যদিকে আদালতে বিচারের মুখোমুখি দেশটির নেত্রী অং সান সু চি। সামরিক বাহিনীর কাছে ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী সু চির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও করোনার বিধিনিষেধ ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এ বিষয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। অভিযোগ প্রমাণিত হলে এ মামলায় এক দশকের বেশি সময় সু চিকে কারাগারে থাকতে হতে পারে।
গত বছর নির্বাচনের সময় সু চি ও তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি কোভিডের বিধিনিষেধ ভাঙে বলে অভিযোগ জান্তাদের। এ বিষয়ে জান্তা সরকারের একটি আদালত সাক্ষীদের বক্তব্য শোনেন। একই সময়ে তার বিরুদ্ধে ওঠা রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগেরও সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। সু চির আইনজীবী জানান, সু চি অভিযোগ মোকাবিলা করতে প্রস্তুত আছেন।

সুচির আইনজীবী জানান, তিনি খুব ভালো আছেন। সুস্থ আছেন। আগের মতোই দেখাচ্ছিল নেত্রীকে।
দেশ ও দেশের বাইরে সামরিক সরকারের সমালোচনার মধ্যেই অভিযোগ উঠেছে, ভারতের একটি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মিয়ানমার জান্তাকে অন্তত সাতটি সামরিক প্রযুক্তির চালান সরবরাহ করেছে। ভারতীয় ওই কোম্পানিটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন। বিক্রি করা সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে উপকূলে নজরদারি চালানোর প্রযুক্তি। ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ মার্চের মধ্যে জয়পুর ও ব্যাঙ্গালুরু থেকে এসব সরঞ্জাম মিয়ানমারে পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।