ইসরায়েলের শহরগুলোতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ছে

আরব ও ইহুদি নাগরিকদের মধ্যে সংঘর্ষ, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ইসরায়েলের শহর থেকে শহরে ছড়িয়ে পড়ায় জরুরি অবস্থা ও কার্ফিউ জারি করা হয়েছে। সিএনএন
ইসরায়েলি শহর এ্যাক্রিতে আরব নাগরিকদের হাতে এক ইহুদি ব্যক্তি মারধরের পর গুরুতর আহত হয়। বেথ ইয়ামে ইহুদি নাগরিকরা এক আরব চালককে মারধর করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ইসরায়েলি আইনপ্রণেতা আইদা তোউমা-সুলিমান সিএনএনকে বলেন পরিস্থিতির অবনতিতে আমরা খুবই শঙ্কায় আছি। আমি ঘরে বন্দী এবং বাইরে যেতে পারছি না। টিয়ারগ্যাস এসে ঘরে ঢুকছে এবং নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে।
হাইফা’তেও একই রকম পরিস্থিতি বিরাজ করছে। লড শহরে আরো ভয়াবহ পরিস্থিতি, সেখানে একে অপরের ওপর হামলার মত ঘটনা ঘটছে। কার্যত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না।

জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ সমন্বয়ক টর ওয়েনেসল্যান্ড বলেন রীতিমত এক যুদ্ধের মুখে পড়েছি আমরা। পরিস্থিতি বাগে আনতে দুই পক্ষের নেতাদের দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসা উচিত।

ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে নির্বিঘ্নে চলাচল বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। গাড়িতে পাথর নিক্ষেপ , রাস্তা অবরোধ সহ বিভিন্ন বাধ ডিঙ্গিয়ে দেশটির নাগরিকদের চলাচল করতে হচ্ছে বলে পারতপক্ষে কেউ ঘর থেকে বের হতে চাচ্ছেন না। লড শহরের মেয়র ইয়াইর রেভিভো বলেন কয়েক দশক ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে বাস করে আসার সংস্কৃতি ও সহাবস্থান ভেঙ্গে পড়ছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্তজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন শহরে আরো নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন।

মেয়র ইয়াইর রেভিভো বলেন দাঙ্গায় সিনাগগ থেকে শুরু করে ইসরায়েলি পতাকা, আবর্জনার কনটেইনার কিছুই আগুণ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। মসজিদে ইসরায়েলি পুলিশ ও ইহুদি নাগরিকরা মুসলমানদের নামাজের সময় ঢুকে পড়ছে, টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করছে। পুলিশ দাঙ্গা দমনে ৩ শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে।