আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কিট উৎপাদনে দেরি হওয়ার অভিযোগ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, আমি শতভাগ নিশ্চিত গণস্বাস্থ্যর কিট বিএসএমএমইউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর অবশ্যই এই কিট সরকারের অনুমতি পাবে। তারা র‌্যাপিড ডট ব্লট কিটের বিকল্প কোন বিবেচনা করছে না। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার জন্য দেরি হচ্ছে।

আজ বুধবার গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের ৬ষ্ঠ তলায় ‘গেরিলা কমান্ডার মেজর এ টি এম হায়দার বীর উত্তম মিলনায়তনে’ করোনা রোগ সনাক্তকরণে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত সম্বনিত এন্টিজেন, এন্টিবডি পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, প্রয়োজনীয়তা কোনও আইন মানে না, এই সংকটের মুহূর্তে যদি সরকারি সংস্থাগুলো এগিয়ে আসে তবে ড. বিজন কুমার শীলের আবিষ্কার থেকে আরো বেশি লোক উপকৃত হবেন। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে এটি অনেক সময় নিচ্ছেে। সরকারের বিলম্ব স্বীকৃতির কারণে অন্য বিজ্ঞানী উদ্ভাবক হিসেবে বিজনের কৃতিত্ব নিয়ে নিতে পেতে পারেন বলেও সন্দেহ পোষণ করেন। জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ সময় কিটের পর্যাপ্ত বিশাল উৎপাদনের জন্য লোন হিসেবে সরকারের কাছে ৫০ কোটি টাকা দাবি করেন।

সেমিনারে ড. বিজন কুমার শীল বলেন, তিনি এই কিটটি অ্যান্টি-বডি এবং অ্যান্টি-জেন উভয় পরীক্ষার জন্য লালা এবং এমনকি সোয়াব নমুনার নমুনা পরীক্ষা করার জন্য তৈরি করেছিলেন। অনুমতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা ব্যাপক আকারে উৎপাদনে যাবে, যাতে সরকার প্রতিদিন ৫০,০০০ সন্দেহভাজনকে পরীক্ষা করতে পারে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাবি’র সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. একে আজাদ চৌধুরী, বিএসএমএমইউর সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক কামরুল হাসান খান, অধ্যাপক মোজাহেরুল হক।

এর আগে গত ১৩ই মে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র কভিড -১৯ এর পরীক্ষা ২০০টি কিট পরবর্তীতে আরো ২০০টি মোট ৪০০ কিট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে পারফরম্যান্স ট্রায়ালের জন্য হস্তান্তর করে।
ব্যয় হিসেবে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষের কাছে ৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা জমা দিতে রাজি আছে।