তেলের দর ১১ শতাংশ বৃদ্ধি, ৩২ থেকে ৩৪ ডলার ব্যারেলে চাহিদা বৃদ্ধির আভাস

মার্কিন তেলের বাজারে সোমবার ভোরে তেলের দাম ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতি ব্যারেল শুধু ৩২ ডলারে উন্নীত হয়নি একই সঙ্গে বাজারে চাহিদা অনুযায়ী পুনরুদ্ধারের লক্ষণ দেখা দিয়েছে। অয়েল প্রাইস

তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো দৈনিক উৎপাদন লাখ লাখ ব্যারেল কমিয়ে গতমাসের নেতিবাচক বাজার শেষ পর্যন্ত ঘুরিয়ে দেয়ার এক ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনা তৈরি করছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

সোমবার মার্কিন বাজারে তেলের দও বৃদ্ধি ১১.৭২ শতাংশ। ডব্লিউটিআই ক্রুড ওঠে প্রতিব্যারেল ৩২.৮৬ ডলারে। যা ২০ ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিল। সৌদি আরবের ব্যাপক তেল উৎপাদন, করোনা পরিস্থিতিতে তেলের চাহিদায় পতনের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাজারের ওপর হস্তক্ষেপ করেন। এতে বাধ সাধেননি আরেক শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়া।
সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দরও ৭.৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল প্রতি ৩৪.৯৩ ডলার উঠে যায়।
এনার্জি ইনফরমেশন এ্যাডমিস্ট্রেশন বলছে গত ৮ মে’র পর অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন ৭ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত হ্রাস পায়। গত সপ্তাহে গ্যাসোলিনের উৎপাদন কমে সাড়ে ৩ মিলিয়ন ব্যারেল এবং এর আগের সপ্তাহে তা কমে ৩.২ মিলিয়ন ব্যারেল।

সোমবার তেলের বাজারের মতিগতি দেখে আইএনজি বিশ্লেষক ওয়ারেন প্যাটারসন এবং ওয়েনিউ ইয়াও বলেন স্পষ্টতই তেলের বাজার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে তবে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারলে তেলের বাজার ফের পড়ে যেতে পারে।