করোনায় দেশে ১৫ ব্যবসা লাভবান এবং ১৬টি লোকসানে পড়েছে

করানো কালে ভাল ব্যবসা করেছে, ওষুধ শিল্প, নিত্যপণ্যের আমদানিকারক, চাল কলের মালিক, নিত্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, কৃষি উৎপাদক, সাবান বা ডিটারজেন্ট উৎপাদনকারী, মোবাইল ফোন কোম্পানি, ই-মার্কেটিং, ক্লিনিং সার্ভিস, এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, ইন্টারনেট প্রোভাইডার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ব্যাংকিং ও শপিংমল । খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের ব্যবসা।

লোকসানি খাতে রয়েছে ছোট ও মাঝারি গার্মেন্ট, টেক্সটাইল, চামড়া, সিরামিক, পরিবহন, সিমেন্ট ও রড, কনস্ট্রাকশান, ক্ষুদ্র ও মাঝারি দোকানদার,ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ উৎপাদক ও মেরামতি শিল্প, ফ্যাশন হাউজ,বিউটি পার্লার, বেসরকারি মেডিক্যাল হাসপাতাল, সংবাদপত্র ও মুদ্রণ শিল্প, চলচ্চিত্র, সিনেমা হল ও রেমিটেন্স।
২৫ লাখ কোটির মোট জিডিপিতে, সার্ভিস সেক্টরের অবদান ৫১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। কৃষির ১২ শতাংশ। তবে কর্মস্ংস্থানের দিক থেকে কৃষি সবার বড়। সেখানে কর্মসংস্থান ৪৩ শতাংশ। ট্রান্সপোর্ট সেক্টরের অবদান ১২ শতাংশ।কনস্ট্রাকশানের সঙ্গে জরিত শিল্পের অবদান ৭শতাংশ। ব্যাংকিং সেক্টরের অবদান ৪ শতাংশ। শিল্পের অবদান ৩১ শতাংশ।
এ বিষয়ে পূবালী ব্যাংকের এমডি এমএ হালিম চৌধুরী জানান, অর্থনীতির সবকিছুইতো শুধু বিসর্জন নয়। তার বিপরীতে অর্জনও আছে। দেশে বড় বড় গ্রæপগুলো, করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ তেমন হয়নি। অনেক বড় গ্রুপতো করোনায় বাম্পার ব্যবসা করেছে। তিনি মনে করেন, সরকার যেভাবে অর্থের সরবরাহ বাড়িয়েছে। তাতে দেশের অর্থনীতির সার্বিক তেমন কোন ক্ষতি হবে না। ম্যানুফ্যাকচারিং দেশের সুবিধা হলো , বিশ্বব্যাপি কাঁচামালের দাম কমেছে। শ্রমশক্তিও আরো শস্তা হয়ে যাবে । আগামীটা সবই ভাল।