পুলিশের সোর্স এবার এক ব্যবসায়ী পরিবারকে উচ্ছেদ করলো বাসা থেকে

করোনাকালে বাড়ি ভাড়ার বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে না পারায়। ভাড়াটে এক ব্যবসায়ী পরিবারকে উচ্ছেদ করলো যাত্রাবাড়ি থানার ওসির পার্সোনাল সোর্স আমির হোসেন। ব্যবসায়ী আফজাল কাজলারপাড় বরফ গ‌লিতে মেম্বা‌রের ভাই ও পুলিশের সোর্স তার বাসায় বসবাস রত ছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, বাড়ি ভাড়ার অ‌গ্রিম দেয়া দেড় লাখ টাকাও ফেরত দিচ্ছে না এই আমির। এ ব্যাপা‌রে ওই ভাড়াটের পক্ষ থে‌কে গত ৪ মে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

দায়িত্ব দেয়া হয় এসআই শরীফুলকে। তি‌নি এক সপ্তাহ ঘু‌রিয়ে বলেন, পুলিশ ওই বাড়ির মালিক আমিরের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে না।
কারণ হিসেবে জানা যায়, বর্তমান ওসি মাজহারুল ইসলাম ইতোপূর্বে যখন যাত্রাবাড়ী থানার এসআই হিসেবে ছিলেন তখন থেকেই আমির হোসেন তার পার্সোনাল সোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। সেই সুবাদে মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে গভীর সখ্যতা থাকায় এসআই, এএসআই কাউকে পাত্তা দেয় না আমির হোসেন।

অথচ মারধোর করে উচ্ছেদ করা ওই পরিবারের অসহায় নারী-পুরুষ-শিশুরা করোনার কঠিন সময়ে রাস্তায় ফুটপাতে, এ বাড়ি ও বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে কঠিন জীবন যাপনে বাধ্য হচ্ছে তারা। তাদের ঘরও তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। কাপড় চোপরসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিছুই নিতে পারছে না তারা। দশ দিন ধরে অভিন্ন পোশাকে ঘুরছেন ফিরছেন রাস্তায় রাস্তায়।

এ ব্যাপারে ভাড়াটিয়া আফজাল বলেন, আমি তাকে কিছু টাকা দিতে গেলে আমার উপর চড়াও হয়। আমি তাকে অনুনয়ের সাথে জানালে, তিনি উলটো মারধরের হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। চার রুমের একটি ফ্ল্যাট থাকতেন তিনি।

উনি যাত্রাবাড়ি থানার ওসির ঘনিষ্ঠ লোক বলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি ও দেন। অথচ বাসা ভাড়া নেয়ার সময় অগ্রমী নেয়া টাকাও সে দিচ্ছে না। আট দিন পরিবার পরিজন নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছি। এখন এক সজনের বাসার একটি কক্ষে পরিবার নিয়ে থাকসি। থানায় ডায়েরি করেও কোনো ফল পাইনি।