পরের মৌসুমের গার্মেন্ট অর্ডার নিয়ে ফিরছে আন্তর্জাতিক বায়াররা

বিকেএমইএ’র স-হসভাপতি মোহম্মদ হাতেম জানিয়েছেন, শীত মৌসুমের জন্য যে কাপড় বা কাঁচামাল আমরা আমদানি করেছিলাম। বাযাররা বলছে এগুলো এখন রেখে দাও। আমরা আগামী মৌসুমে তা নিব। এখন বসন্তের কিছু কাপড় বানিয়ে দাও।

গত ৩ মাসে বিজিএমইএ’র হিসাবে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের অর্ডার বাতিল হয়েছে। এসব অর্ডার বিপরীতে গার্মেন্ট মালিকরা ৭২ শতাংশ পণ্য আমদানি করেছিল। কিন্তু ইউরোপ বা আমেরিকায় লকডাউন থাকায় বায়াররা এসব পণ্য নেয়নি। আবার বাংলাদেশও করোনার কারণে পণ্য পাঠাতে পারেনি।

ইকোটেক্স গার্মেন্ট মালিক শফিক হাসান বলেন, জারা ও মাসিমু ডুটি ছাড়াও কয়েকটি বায়ারের কাছে গত ৩ মাসে ৫ লাখ ৭০ হাজার ডলারের অর্ডার তার বাতিল হয়েছিল। এবার তারা সেই অর্ডারের বিপরিতে কিছু অর্থ দিতে শুরু করেছে ইতিমধ্যে তারা ২ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। বাকিটা কাপড় বিক্রি করে দিবে বলেছে।
মোহম্মদ হাতেম বলেন, বকেয়া টাকার বিষয়ে বায়রা বলছে পর্যায় ক্রমে টাকা দিবে। তবে অর্ডার এখন আসছে। এখনকার অর্ডারগুলো খুবই কম মার্জিনের। এমনিতেই একটা কাপড়ে ৫ শতাংশ লাভ থাকে। এখন সেটা ২ থেকে ৩ শতাংশ হবে।