২৩ এপ্রিল সরকারকে কিট হস্তান্তর করব :ডা:জাফরুল্লাহ

মাত্র ১৫ মিনিটে কভিড-১৯ পরীক্ষায় কিট উৎপাদনে শতভাগ সফল হতে চায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। সে লক্ষ্যে তারা সতর্কতার সঙ্গে গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেতে প্রয়োজন ৭০ শতাংশের কিছু ওপরে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের প্রাথমিক পরীক্ষায় ৯৫ ভাগের বেশি সফল। তবে পুরো বিশ্বকে চমকে দিতে শতভাগ সফলতার চেষ্টায় বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

গতকাল রাতে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে ফোনে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, ‘আমরা এমন কিট করছি, পুরো বিশ্ব চমকে যাবে। সবাই আমাদের কিট নেওয়ার জন্য চেষ্টা চালাবে। কিন্তু আমরা বাংলাদেশকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেব। সরকারেরও সহযোগিতা পাচ্ছি। বিমানবন্দরে পড়ে থাকা কিট সামগ্রীগুলো শুক্রবার আমাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য কাস্টমস কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়াকে ধন্যবাদ। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আশা করেন সরকারকে ২০ এপ্রিলের পর যে কোনো দিন প্রথম দফায় ১০ হাজার কিট দেবেন। সেটা সম্ভবত ২৩ এপ্রিলই। এরপর আরও কিছু দিন সময় নিয়ে প্রায় লাখখানেক কিট উৎপাদন করতে পারবেন। মাঝে বৈদ্যুতিক গোলযোগ ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে কিট দিতে পারেনি এ সংস্থাটি। তবে এবার সব কিছু প্রস্তুত প্রায়। কিছু ত্রুটি থেকে শিক্ষাও নেওয়া হয়েছে। সরকার যদি ট্যাক্স না ধরে তাতে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় এ কিট পাওয়া যাবে। মাত্র ১৫ মিনিটেই কভিড-১৯ আছে কিনা পরীক্ষা করা সম্ভব। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক যে ত্রুটিগুলো ছিল, তা অনেকটাই কেটে গেছে। প্রয়োজন পড়লে সরকার সহযোগিতায় এগিয়ে এলে আমরা ২ কোটি পরিমাণ কিটও উৎপাদনে সক্ষম। তিনি বলেন, আমার ইচ্ছা আছে, প্রতিটি গ্রামে গ্রামে ওয়ার্ড বা ইউনিয়ন পর্যায়ে কিট পৌঁছে দেওয়ার। সামান্য এক দিনের প্রশিক্ষণ নিয়েই সবাই যাতে কভিড-১৯ পরীক্ষা করতে পারে। যত পরীক্ষা হবে ততই আমাদের জন্য মঙ্গল হবে। রোগ শনাক্ত করা গেলে দেশের প্রকৃত চিত্র জানা যাবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণও করা যাবে। বর্তমানে করোনায় লকডাউন পরিস্থিতিতে ১ কোটি মানুষের মধ্যে খাবার নিশ্চিত করতে না পারলে সবাই রাস্তায় নেমে আসবে বলেও মন্তব্য করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশে হতদরিদ্র প্রায় ১ কোটি মানুষকে রেশন দিতে হবে। তাদের অন্তত তিন মাস এ পদ্ধতিতে খাবার সামগ্রী বিতরণ করতে হবে। প্রতিবার ১ মাসের করে এ খাবার দিতে হবে। নইলে মানুষ লকডাউন উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমে আসবে।
বিডি প্রতিদিন