এখনো করোনা হুমকির মধ্যে ইউরোপ, হুঁশিয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

হু এর আঞ্চলিক নির্বাহী হানস ক্লুগে বলেন, আমরা করোনার সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় রয়েছি। স্পেন, ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডে কিছুতা ইতিবাচক লক্ষণ দেখা দিলেও ব্রিটেন, তুরস্ক, ইউক্রেন ও রাশিয়াতে সংক্রমণের মাত্রাতিরিক্ততা বলছে আমরা এখনো করোনার চোখ রাঙানির বাহিরে নয়। এএফপি

বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত ২০ লাখ ৮৩ হাজার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ও মারা গিয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার। এর মধ্যে ইউরোপে মৃতের সংখ্যা ৯০ হাজার। বৃহস্পতিবার স্পেনে ৫৫১ জন মারা গিয়েছেন। ব্রিটেন পরিস্থিতি মোকাবেলায় আরও ৩ সপ্তাহের লকডাউন জারি করেছে। নিউইয়র্ক ১৫ মে পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করেছে। রাশিয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ের বার্ষিক মিলিটারি প্যারেড বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে।

কয়েক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের পর স্পেন, ইতালি, ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ড সীমিত আকারে কিছু ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালুর অনুমতি দিয়েছে। বুধবার জার্মানিও কিছু স্কুল ও দোকানপাট খোলার বিষয়ে প্রাথমিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস বলেছেন, শুধুমাত্র নিরাপদ ও কার্যকরী টিকাই বিশ্বকে স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভ্যাকসিন এই বছরের শেষ নাগাদ হাতে পাওয়া যাবে।

দ্য বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন ভ্যাকসিন কার্যক্রমের জন্য ১৫ কোটি ডলার বরাদ্দ দিয়েছেন। তবে সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী মার্ক সুজম্যান বলেন, এই পৃৃথিবীতে ৭০০ কোটি মানুষ রয়েছে। আমাদের প্রত্যেকের জন্য ভ্যাকসিন প্রয়োজন। কিন্তু এই কাজ করার জন্য কোনো উৎপাদন সক্ষমতা নেই।

ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হলেও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে তীব্র ঝড় বয়ে যাবে। আইএমএফ সতর্ক করে বলেছে, দ্বিতীয় এই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দায় ৯ ট্রিলিয়ন ডলার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সম্পাদনা : ইকবাল খান