শেখ হাসিনার ঘোষিত এই যুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে ৩০০ এমপিকেই এক একজন যোদ্ধা হওয়া উচিৎ।

দেশ স্বাধীন হবার পর গত এক যুগে অনেকেই এমপি এবং মন্ত্রী হবার সুবর্ন সুযোগ পেয়েছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং বিনা খরচায় । এর আগে একজন রাজনৈতিক নেতাকে এমপি মন্ত্রী হতে গেলে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হতো। বছরের পর বছর রাজনীতি করেও এই স্বপ্ন পুরন করতে পারতো না অনেকেই। আর এখন অনেকে স্বপ্ন না দেখেও এমন সোনার হরিণ পেয়ে গেছে নিমিষেই একতরফা রাজনৈতিক গেমের কারনে।

গত ২টি সংসদীয় নির্বাচনে অধিকাংশ এমপি নির্বাচিত হয়েছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং বিনা খরচায় । তারপর আবার পেয়েছে উন্নয়নের রোল মডেলের বড় বড় প্রজেক্ট এবং বরাদ্দ। ফলে অনেকেই হয়েছে শত শত কোটি টাকার মালিক । হয়েছে বড় বড় প্রজেক্ট এবং প্রতিষ্ঠানের কর্নধার। উন্নয়নের উৎসবের মাঠে স্ব স্ব এলাকায় একাই খেলে চলেছেন প্রতিপক্ষের অনুপস্থিতিতে। এটা সম্ভব হয়েছে একমাত্র শেখ হাসিনার একক নেতৃত্বে।
দেশ আজ করোনা নামক প্রানঘাতি ভাইরাসে আক্রান্ত। নতুন এই প্রানঘাতি ভাইরাসের কারনে সকলে দিশেহারা। এটাকে মোবাকেলা করতে শেখ হাসিনার চোখে নেই ঘুম এবং স্বস্তি। দেশকে এবং জাতিকে বাচাতে ঘোষণা করেছে অজানা এক যুদ্ধ। তার এই যুদ্ধে সামিল হয়েছে অনেকেই। কিন্তু ঠিক এই মুহুর্তে দেশের ৩০০ এমপিই পারে শেখ হাসিনার এই যুদ্ধকে জয়ের মালা পরাতে।

একজন এমপি জানে তার স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকায় কারা দিনমজুর। জানে কতো পরিবার এমন পরিস্থিতিতে দিনাতিপাত করছে । তাদের এক দুই মাসের খাবার সরবরাহ করা একজন এমপির পক্ষে অসম্ভব নয়। কারন গত ২টি নির্বাচনে এমপি হতে যে টাকা ব্যয় করা লাগতো, এখন সেই টাকা দিয়েই তার নির্বাচনী এলাকার দিনমজুরদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারে ইচ্ছা করলেই।

অতএব যার যার এলাকার দিনমজুদের মুখে দুমুঠো খাবার তুলে দিয়ে শেখ হাসিনার ঘোষিত এই যুদ্ধকে জয়ের মালা পরাতে প্রত্যেক সাংসদকেই এক একজন যোদ্ধা হওয়া উচিৎ।
জয় বাংলা।
—–শ‍্যামল দাশ টিটু