নাম কবি নজরুল কলেজ পাবলিক টয়লেট,সমালোচনায় মেয়র খোকন

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ ৪২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মো. সেলিম তার এলাকায় পাবলিক টয়লেট স্থাপন করেছেন যার নাম দেওয়া হয়েছে কবি নজরুল কলেজ পাবলিক টয়লেট।

পাবলিক টয়লেটের নামফলকে কবি নজরুলের নাম থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

কবি নজরুল কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝেও দেখা দিয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। জানা যায়, গত সোমবার থেকে ফেসবুকে কবি নজরুল কলেজ পাবলিক টয়লেট শুভ উদ্বোধন করেন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন মেয়র ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন লেখা একটি নামফলক পোস্ট করতে দেখা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

নামফলকে উল্লেখ রয়েছে, কবি নজরুল কলেজ পাবলিক টয়লেট এর উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। সার্বিক তত্ত্বাবধানে হাজী মো.সেলিম (কাউন্সিলর, ওয়ার্ড নং ৪২)।
এতে ফেইসবুক ব্যবহারকারীরা নামফলক এর ছবি দিয়ে মেয়র খোকনকে নিয়ে নানা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

কবি নজরুল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী রহমান মোস্তাফিজ তার ব্যক্তিগত ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে বলেন, সিটি করপোরেশন থেকে পথচারীদের জন্য পাবলিক টয়লেট বানাবেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই পাবলিক টয়লেটের নামকরণ করবেন কবি নজরুল কলেজ পাবলিক টয়লেট?

আতাউর রহমান নামের একজন ব্যক্তি তার ওয়ালে নামফলক পোস্ট করে লেখেন,মেয়রের কাছ থেকে এ ধরনের দায়িত্বহীন ও লজ্জাজনক আচরণ কাম্য নয়।

কবি নজরুল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম রাকিব লেখেন,একলেজের পাশে একটি নতুন পাবলিক টয়লেট উদ্বোধন করার অপেক্ষায় কিন্তু টয়লেটের নামকরণ করা হয়েছে কবি নজরুল কলেজ পাবলিক টয়লেট।

এঘটনার ক্ষোভ প্রকাশ করছি। দ্রুত এ নামফলক পরিবর্তনের দাবি জানাই। মিজানুর রহমান নামে এক শিক্ষার্থী জানান, আমার কলেজের নামে পাবলিক টয়লেট হবে এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

কলেজের নামটি পাবলিক টয়লেটে ব্যবহার করার মাধ্যমে কবি নজরুল সরকারি কলেজকে অবমাননা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় একটি লিখিত ব্যাখ্যা বলেন, ডিএসসিসির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন কবি নজরুল কলেজে কোনো পাবলিক টয়লেট উদ্বোধন করেননি।

তিনি বিশ্ব মেয়র সম্মেলনে যোগদান শেষে সোমবার বিকেলে দেশে ফিরেছেন।এ নাম ফলকটি ঠিকাদার বসিয়েছিল।সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী জানার সঙ্গে সঙ্গে তা নামিয়ে ফেলা হয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন মাশফিক