আগস্টেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হবে, আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছোট পরিসরে হলেও চলতি মাসেই রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমি রাখাইনে প্রত্যাবাসন শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

রোববার নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। খবর: ইউএনবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি খুব ইতিবাচক… আশা করছি এ মাসেই (প্রত্যাবাসন) শুরু করতে পারবো।’

সম্প্রতি ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের (এআরএফ) সাইডলাইনে বিভিন্ন বৈঠক থেকে বিভিন্ন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের সাথে বৈঠকের রেফারেন্স দিয়ে ড. মোমেন বলেন, ভারত ও চীন উভয় দেশ মিয়ানমারের রাখাইনে ঘর-বাড়ি নির্মাণ করেছে, যেখানে রোহিঙ্গারা ফিরে গিয়ে থাকতে পারবে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য এটা অনেক ভালো সময় বলেও মনে করেছেন তারা।

রোহিঙ্গা দ্রুত প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে ভারতের সহযোগিতা চাওয়া হলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর সহায়তা দেয়ার ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিয়েছেন বলে জানান ড. মোমেন।

আমি ভারতের কোনো চিঠি পাইনি

ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণ করতে ভারত বাংলাদেশের কাছ থেকে জমি চেয়েছে, এমন কোনো চিঠি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পায়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

রোববার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কোনো চিঠি পাইনি…, এ সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই।’

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (আসাদুজ্জামান খান) ভারত সফর করবেন। তখন তিনি এ ব্যাপারে আলোচনা করতে পারেন। আমরা এ ব্যাপারে কোনো চিঠি পাইনি,’ যোগ করেন তিনি।

বাংলাদেশের আখাউড়া থেকে আগরতলার দূরত্ব ১৫ কিলোমিটারের মতো। আবার আগরতলা শহর থেকে বিমানবন্দর প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে অবস্থিত।

তাই ভারত সরকার সম্প্রতি বিমানবন্দরটিকে আধুনিকায়নের (সম্প্রসারণ) জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে জমি চেয়েছেন বলে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন বেরিয়েছে।

সে প্রসঙ্গে দৃষ্টিপাত করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রসঙ্গত ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা উপকণ্ঠে অবস্থিত আগরতলা বিমানবন্দরটি মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দর হিসাবে পরিচিত। বিমানবন্দরটিকে উত্তর-পূর্ব ভারতের দ্বিতীয় বৃহৎ বিমানবন্দর ধরা হয়।

এসবি