বাংলাদেশে আরো ২৩১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৪ হাজার ৮৪৪

বাংলাদেশে সকাল ৮ পর্যন্ত নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিন ১৪ হাজার ৮৪৪ জনের শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণ শনাক্ত হয়। দেশে কভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯১টি পরীক্ষাগারে ৪৯ হাজার ৫২৯টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এ পর্যন্ত দেশে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১২ লাখ ৬৪ হাজার ৩২৮ জন আর মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার ৯১৬ জনের। সর্বশেষ ১৫ হাজার ৫৪ জনের সুস্থতায় এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হওয়া কভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ৯৩ হাজার ২৬৬ জন। সর্বশেষ নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৬ দশমিক শূন্য ২৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৪৭ ও মৃত্যুহার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১৩৯ জন পুরুষ এবং ৯২ জন নারী। এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১৪ হাজার ১৪২ জন এবং নারী ৬ হাজার ৭৭৪ জন। মৃতদের ১৬৮ জন সরকারী হাসপাতালে, ৪৯ জন বেসরকারী হাসপাতালে এবং ১৩ জন বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন । এছাড়া একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয় ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ৭৭ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ৫৩, খুলনায় ৪৪, রাজশাহীতে ১৩, বরিশালে ৬, সিলেটে ৯, রংপুরে ১৮ ও ময়মনসিংহে ১১ জন মারা গেছেন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে , গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে ১, ৮১ থেকে ৯০ বছরের ৯, ৭১ থেকে ৮০ বছরের ৪৫, ৬১ থেকে ৭০ বছরের ৭২, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৪৬, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৩৪, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ১৯, ২১ থেকে ৩০ বছরের তিন জন মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে শতাধিক দেশে ভাইরাসটির সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে গত বছরের ১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মাহামারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদানে এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসূচি শুরু করেছে।