মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড নিয়ে দ্বন্দ্ব:সিলেটে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ২০ গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশসহ আহত ১০

সিলেটের চৌহাট্টায় পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অন্তত ২০টি মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কারে ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ ফাঁকা গুলি ও লাঠিচার্জ চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পুলিশ শটগান সহ এক দুর্বৃত্তকে গ্রেপ্তার করেছে। চৌহাট্ট পয়েন্ট থেকে সিভিল সার্জন কার্যালয় ও দরগাহের প্রধান ফটক পর্যন্ত মাইক্রোবাসের অবৈধ স্ট্যান্ড। দীর্ঘ দিন ধরে পরিবহন শ্রমিকরা জোরপূর্বক রাস্তা দখল করে স্ট্যান্ড বানিয়ে রেখেছে।

সম্প্রতি সময় রাস্তার সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণের জন্য শ্রমিকদের সাময়িক সরে যাওয়ার অনুরোধ জানান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। কয়েক দফা সময় দিয়েও তারা সরে না যাওয়ায় বুধবার বেলা ১ টার দিকে ভ্রাম্যমাণ ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান শুরু করে।

এ সময় মেয়র ও কাউন্সিলররা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানের এক পর্যায়ে পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে সিটি করপোরেশনের শ্রমিকদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের সময় চৌহাট্টা এলাকায় থাকা পরিবহন শ্রমিকদের অন্তত ২০টি মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার ভাংচুর করা হয়। এ সময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় এক পুলিশ সদস্য সহ ১০ জন আহত হয়েছেন।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার আজবাহার আলী শেখ জানিয়েছেন- আহত এক পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া শটগান সহ এক দুর্বৃত্তকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ এসে ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানান তিনি। মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন- সিলেট নগরীর চলমান উন্নয়ন কাজে সবাই ছাড় দিচ্ছে। কিন্তু শ্রমিকরা না সরে উল্টো হামলা করায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন- শ্রমিকরা হামলা করে করপোরেশনের কর্মচারীদের মারধোর করেছে।