নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিলো মিয়ানমারের সেনাবাহিনী

নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মধ্য দিয়ে সামরিক অভ্যুত্থানের অভিযোগ অস্বীকার করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। একইসঙ্গে চলমান আন্দোলনের মাধ্যমে সহিংসতায় উস্কানি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ভীতি প্রদর্শনের জন্য গণতন্ত্রপন্থীদের নিন্দা জানিয়েছে তারা। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ বার্তা দিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এতে মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের শাসকের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। এ খবর দিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

অং সান সুচির গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের প্রতিবাদে উত্তাল মিয়ানমার। দেশটির রাজপথে নেমে এসেছে লাখো মানুষ। জাতিসংঘ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, আন্দোলনকারীদের ওপর কোনো হামলা হবে তার কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে সামরিক জান্তাকে।
এরকম সময়েই অভ্যুত্থান সম্পর্কে এই ব্যাখ্যা প্রদান করলো মিয়ানমার সেনাবাহিনী।

ক্ষমতা দখলের পর সেনাবাহিনীর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে বাহিনীর মুখপাত্র জেনারেল জাও মিন তুন বলেন, একটি নির্বাচন আয়োজন করে জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়াই আমাদের উদ্দেশ্য। তবে নির্বাচনের কোনো নির্দিষ্ট সময় জানাননি তিনি। মিয়ানমারে চলছে এক বছরের জরুরি অবস্থা। সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে থাকবে না বলেও আশ্বাস দেন জাও।