ভোট কেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, হত্যা ও নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে চতুর্থ ধাপের ৫৫ পৌরসভার ভোট গ্রহণ

ভোট কেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, হত্যা ও নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে চতুর্থ ধাপের ৫৫ পৌরসভার ভোট গ্রহণ। বিকাল চারটার পর থেকে এসব কেন্দ্রে গণনা চলছে। চার দফা ভোটে এবারই সবচেয়ে বেশি সহিংসতা ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ এসেছে বিভিন্ন পৌরসভা থেকে। এরমধ্যে পটিয়ায় কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

এর আগে ৫৫ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ শুরু হয় রোববার সকাল ৮টায়। চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষের মধ্যে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে একজন গুলিবিদ্ধ ও একটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও, লালমনিরহাট ও ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় ভোটকেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়। এসব পৌরসভায় ভোটকেন্দ্রে বহিরাগতরা ঢুকে ভোটারদের হাতের ছাপ নিয়ে তাদের ভোট দিতে না দিয়ে বের করে দিয়েছে।

এ ধাপে ২৫ পৌরসভায় ব্যালট পেপারে ভোট হয়েছে আর ৩০ পৌরসভায় হয়েছে ইভিএমে ভোট।

৫৫ পৌরসভায় মেয়র পদে লড়ছেন ২২৩ জন। এছাড়া ৫১০টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী দুই হাজার ৯৯ জন এবং ১৭০ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ৬২৯ জন। এসব পৌরসভায় ৮০২টি ভোটকেন্দ্রে কক্ষ সংখ্যা চার হাজার ৯২৭টি। মোট ভোটার ১৭ লাখ ৬২৪ জন।

সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য ৫০১ জন নির্বাহী ও ৫৫ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকছেন। পুলিশের ১৬৭টি মোবাইল ও ৫৫টি স্ট্রাইকিং ফোর্স টিম, র‌্যাবের ১৬৭টি টিম, প্রত্যেক পৌরসভায় গড়ে দুই প্লাটুন বিজিবি ও উপকূলীয় এলাকায় প্রতি পৌরসভায় এক প্লাটুন কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হয়েছে।

দেশে ৩২৯টি পৌরসভা রয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে এবার পাঁচ ধাপে এসব পৌরসভায় ভোট করছে ইসি। প্রথম দফায় গত ২৮ ডিসেম্বর, দ্বিতীয় ধাপে ১৬ জানুয়ারি এবং তৃতীয় ধাপে ৩০ জানুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পঞ্চম ধাপে ভোট হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি।