স্বাধীন বাংলার রুপকার ও নিউক্লিয়াসের প্রতিষ্টাতা সিরাজুল আলম খান (দাদা ভাই) চিকিতসারত অবস্থায় দুবাই হাসপাতালে আছেন

নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফেরার পথে গতকাল ১ ডিসেম্বর এমিরেটস এয়ারলাইন্স এর উড়োজাহাজে স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার ও নিউক্লিয়াসের প্রতিষ্ঠাতা সিরাজুল আলম খান দাদা শ্বাসকষ্ট জনিত কারনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ তাঁকে দুবাই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। উল্লেখ্য যে, দাদা চার মাস আগে আমেরিকা গিয়েছিলেন।

দাদার ছোট ভাই ফেরদৌস খান পেয়ারু সূত্রে জানা গেছে গতকাল বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে এগারোটায় দুবাই হাসপাতালে ভর্তির পর আজ বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত একাধিকবার দাদার সাথে কথা হয়েছে। তিনি এখন অনেকটা সুস্থ বোধ করছেন। ওখানে তাঁদের কয়েকজন আত্মীয় হাসপাতালে দাদার দেখাশোনা করছেন। ঢাকা থেকে দাদার ছোট ভাই ফেরদৌস খান পেয়ারু সহ আরো দুই জন আত্মীয় আগামীকাল অথবা যথাশীঘ্র সম্ভব দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন।

শ্বাসকষ্ট জনিত কারণে দুবাই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র যুদ্ধের প্রধান সংগঠক সিরাজুল আলম খান। নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফেরার পথে বিমানে গতকাল রোববার সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এমিরাটস এয়ার লাইনন্স কর্তৃপক্ষ তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে। দুবাই বিমান বন্দরে অবতরণের পর সেখান থেকে সরাসরি হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে নেওয়া হয় ‘নিউক্লিয়াস-বিএলএফ’র প্রতিষ্ঠাতা সিরাজুল আলম খানকে। পরে সেখান থেকে হাসপাতালের করনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়।

দুবাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিরাজুল আলম খান বর্তমানে সুস্থ আছেন। তার বুকে কফ জমে থাকার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে কয়েকদিন হাসপাতালের থাকতে হবে।, সিরাজুল আলম খানের কয়েকজন নিকটআত্মীয় হাসপাতালে তার সঙ্গে দেখা করেছেন এবং খোঁজ-খবর রাখছেন। তবে, হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে বিরক্ত করতে নিষেধ করেছেন।নিজাম জানিয়েছেন, সিরাজুল আলম খানের ছোট ভাই ফেরদৌস আলম খান এবং বড় জামাতা ফরিদ ও তার স্ত্রী ভিসা কার্যক্রম শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার দুবাই যাবেন। চলতি বছরের জুলাই মাসে ফলোআপ চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্ক গিয়েছিলেন সিরাজুল আলম খান। সেখান থেকে দেশে ফিরছিলেন তিনি।’

সিরাজুল আলম খান দাদা’র সুস্থতার জন্য সবার নিকট দোয়া প্রার্থনা করছি।