মোদী জমানায় ভারতের জিডিপি’তে পতন ৪.৭ শতাংশ?

চলতি আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার কমে দাঁড়িয়েছিল ৫ শতাংশ। কিন্তু সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে তা আরও কমে ৪.৭ শতাংশে এসে ঠেকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে রয়টার্স। আর এই ইঙ্গিত মিলে গেলে গত ৬ বছরের মধ্যে তলানিতে এসে আর্থিক বৃদ্ধি। ভারতের অর্থনীতিতে চাঙ্গা করতে একের পর এক দাওয়াইয়ের কথা ঘোষণা করেছেন দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের নীতি নির্ধারকরা। এতে চাপ পড়ছে রাজ কোষাগারে। কমছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের আয়।

তবে সরকারি তথ্য প্রকাশের আগে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার তরফে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে তা মোদী সরকারের পক্ষে নিঃসন্দেহে স্বস্তিদায়ক নয়। চলতি আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জাতীয় উৎপাদন জিডিপি বৃদ্ধির হার আরও তলানিতে এসে ঠেকতে চলেছে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হার মাত্র ৪.৩ শতাংশে গিয়েছে ঠেকেছিল। সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এটি ছিল সবথেকে কম। গত আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৭ শতাংশ। এর কারণ হিসেবে হিসেবে বিশেষজ্ঞদের ব্যখ্যা, দেশে পণ্যের চাহিদা এবং বেসরকারি লগ্নি হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া বিশ্ব বাজারে মন্দার জেরে রফতানিও কমেছে। আর এই সাঁড়াশি আক্রমণে জিডিপি-তে এই মন্দার টান বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

এই পরিস্থিতিকে ভারতীয় অর্থনীতির হাল ফেরাতে ফের রিজার্ভ ব্যাংক সুদের হার কমাতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আগামী ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর আরবিআইয়ের বৈঠক আছে। সেই বৈঠকেই সুদের হার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রিজার্ভ ব্যাংক। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদের হার কমিয়েছিল আরবিআই। টাইমস অব ইন্ডিয়া