জনাব বাদলের স্মৃতি রক্ষায় কালুরঘাট ব্রীজের নাম “বাদল খান সেতু” নামকরনের দাবী জানানো হয়

আজ ২৫শে নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (বিসিএল) এর উদ্যোগে সদ্যপ্রয়াত বাংলাদেশ জাসদের নেতা মইনউদ্দিন খান বাদলের অকাল প্রয়ানে এক শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাহজাহান সাজু।বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (বিসিএল) এর সাধারন সম্পাদক গৌতম শীলের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি, ও ডাকসুর জিএস ডাঃ মোসতাক হোসেন,স্থায়ী কমিটির সদস্য মন্জুর আহমেদ, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি করিম সিকদার,তফসির হোসেনসহ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। এছাড়া সভায় অতিথি বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনউদ্দিন খান বাদলের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা সত্তর দশকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ ফজলুর রহমান মুরাদ।
সভায় প্রধান বক্তা জনাব মোসতাক হোসেন মইনউদ্দিন খান বাদলের রাজনৈতিক জীবন,তার আপোষহীন রাজনীতি নিয়ে স্মৃতিচারন করে নুতন প্রজন্মকে তার আদর্শকে বিশধভাবে জানতে অনুরোধ রাখেন।অন্যান্য বক্তারাও তার জীবনের সংগ্রামী আদর্শকে সামনে তুলে ধরে নুতন প্রজন্মে অনুসরণ করতে আহ্বান জানান।সভায় অতিথি বক্তা জনাব ফজলুর রহমান মুরাদ জনাব বাদলের স্বাধীনতা পুর্বকালীন ছাত্রলীগ রাজনীতিতে ভুমিকা, মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ, যুদ্ধারত্তোর বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাসদ গঠনের ভুমিকা নিয়ে বিষদ আলোচনা করেন।তিনি দাবি করেন জনাব বাদল তার নির্বাচনী এলাকা বোয়ালখালীর জনগনের পক্ষে আমৃত্যু কালুরঘাট ব্রীজের জন্য লড়াই করেছেন।এমনকি তিনি আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কালুরঘাট ব্রীজের ঘোষনা না এলে জাতীয় সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করবেন বলেও পার্লামেন্টে হুসিয়ারী উচ্চারণ করেন।আজকে সরকার কালুরঘাট ব্রীজ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।একারণে সরকারকে ধন্যবাদ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি জনাব বাদলের স্মৃতি রক্ষায় কালুরঘাট ব্রীজের নাম জনাব বাদলের নামানুসারে “বাদল খান”সেতু রাখার দাবি উত্থাপন করেন।।
সংবাদ প্রেরক:বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ ফজলুর রহমান মুরাদ।