ভারতীয় দম্পতির বিরুদ্ধে নারী শ্রমিকদের নির্যাতন এবং পাচারের ঘটনায় মঙ্গলবার সিঙ্গাপুর সরকার কঠোর হুঁশিয়ারি জারি করেন

এক ভারতীয় দম্পতির বিরুদ্ধে অভিবাসী নারী শ্রমিকদের নির্যাতন এবং পাচারের ঘটনায় মঙ্গলবার সিঙ্গাপুর সরকার কঠোর হুঁশিয়ারি জারি করেন। দেশটির জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টর শেরলি লিম জানান, এ ধরনের ঘটনা দমনে ‘কঠোর পদক্ষেপ’ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। ঢাকা ট্রিবিউন

২০১৫ কার্যকর হওয়া মানববাচারবিরোধী আইন অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের একটি নাইট ক্লাবে ৩ বাংলাদেশি নারীকে নির্যাতনের অভিযোগে দুই ভারতীয় নাগরিককে দায়ী করা হয়। আদালতের এক বিবৃতিতে দেখানো হয়েছে, এই দম্পতি তাদের উপর শারীরিক নির্যাতন করে, অবাধে চলাফেরা করতে দিতো না এবং তাদের পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করে রেখেছিল।

দ্য থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা পাচারকারী এবং নির্যাতিত অভিবাসী শ্রমিকদের সব মামলা সনাক্ত করব, এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করব এবং চলমান মামলাগুলো শীঘ্রই বিচারের আওতায় আনার জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করব। ’

রাষ্ট্রপক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনজন বাংলাদেশি নারী শ্রমিক সেখানে প্রতিদিন কাজ করতো। মালিকপক্ষ তাদের মধ্যে দুইজনের মাসিক বেতনের প্রায় ৭’শ ৭ রুপি এখনও পরিশোধ করেনি।

মানাবপাচারবিরোধী অভিযানকারীরা জানান, সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ দ্রুত অভিবাসী শ্রমিক পাচার এবং নির্যাতনের বিষয়ে সচেনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রায় ৫ কোটি ৬ লাখ অভিবাসীর মধ্যে প্রায় ১০ লাখ অভিবাসী শ্রমিক বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, চীন এবং মায়ানমারের মতো দেশে অর্থনৈতিক জ্বালানি উৎপাদন, নির্মাণ কাজ থেকে শুরু করে পরিসেবা এবং গৃহনির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করে থাকে। সম্পাদনা: রাশিদ রিয়াজ