গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফেরণে পাকিস্তানে যাত্রীবাহী ট্রেনে আগুন, ৭০ জনের প্রাণহানি,

পাঞ্জাব প্রদেশের লিয়াকতপুর সিটিতে তেজগাম নামক যাত্রীবাহী ট্রেনের তিনটি কামরায় বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকালে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুন থেকে বাঁচার জন্য অনেকে জানালা দিয়ে লাফিয়ে বাইরে পড়েন। লিয়াকতপুর ডিস্ট্রিক্ট গভর্ণর জানান, এ ঘটনায় নারী শিশুসহ প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন, যাদের অবস্থা গুরুতর। প্রথমে নিহত ও আহতদেরকে লিয়াকতপুরের ডিএইচকিউ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ভাওয়ালপুরের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আহতদের উন্নতমানের চিকিৎসা প্রদান করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন, ডন, সিএনএন

গণমাধ্যমে জানা যায়, ট্রেনটি করাচি থেকে রাওয়ালপিন্ডি যাচ্ছিলো। রাহিম ইয়ার খান শহরের ডিপুটি কমিশনার জামিল আহমেদ জানান, ওই কামরায় তাবলীগ জামাতের একটি দল ভ্রমণ করছিলো। রেলমন্ত্রী শেখ রশিদ জানান, সকালে যাত্রীদের জন্য নাস্তা তৈরি করতে গেলে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুন লেগে যায়। ট্রেনে গ্যস সিলিন্ডার বহন আইনে নিষেধ বলেও জানান তিনি। তবে দুর্ঘটনার দুই ঘন্টার পর ক্ষতিগ্রস্ত ট্রেনকে সচল করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

উদ্ধারকারী ১১২২ টি দল আগুন নেভাতে কাজ করে। আগুন নেভানোর পর কমিশনারের নেতৃত্বে সেখানে দুর্ঘটনার আলামত বা কেউ হতাহত আছেন কি না তা অনুসন্ধান পরিচালনা করছে। ইন্টার সাভিসের পাবলিক রিলেশন (আইএসপিআর) এর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানায়, উদ্ধারকারী দলগুলোকে সহায়তা করার জন্য চিকিৎসক ও প্যারামেডিকসসহ সেনা পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আহতদের উদ্ধার করতে মুলতান থেকে একটি সেনা হেলিকপ্টারও পাঠানো হয়েছিলো।

এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে রেল মন্ত্রানালয়ের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এর আগে সাদেকাবাদে আকবর এক্সপ্রেস ও একটি মালবাহী ট্র্রেনের সংঘর্ষের তিন মাস পর এই ঘটনা ঘটলো। সম্পাদনা : রাশিদুল