‘মিস ইউনিভার্স’-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধি শিরিন শিলা

দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে আগামী ১৯শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর প্রথম ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ-২০১৯’ বিজয়ী হয়ে তাতে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলেন ঠাকুরগাঁওয়ের মেয়ে শিরিন আক্তার শিলা। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার বসুন্ধরাস্থ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে অনুষ্ঠিত হয় ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ-২০১৯’ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে। এ আয়োজনে প্রথম রানারআপ হয়েছেন আলিশা ইসলাম এবং দ্বিতীয় রানারআপ (তৃতীয়) জেসিয়া ইসলাম। ‘আমার আত্মবিশ্বাস, আমার সৌন্দর্য’- এ স্লোগানকে সামনে রেখে জমকালো আয়োজনের মধ্যদিয়ে দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’। এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন শিলার মাথায় ৭৫০টি ডায়মন্ড খচিত প্রায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের শৈল্পিক মুকুট(ক্রাউন) পরিয়ে দেন ১৯৯৪ সালের ‘মিস ইউনিভার্স’ ও বলিউড তারকা সুস্মিতা সেন। যিনি উপস্থিত ছিলেন এই আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণ ও অতিথি বিচারক হিসেবে। অনুষ্ঠানে মাঝপথে নেচে গেয়েও মুগ্ধ করেন তিনি।
চূড়ান্ত এ পর্বে সেরা দশ প্রতিযোগী থেকে ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’-এর বিজয়ীর মুকুট মাথায় ওঠে শিরিন শিলার। প্রথম ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ হওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, এটা আমার জন্য দারুণ আনন্দের মুহুর্ত। কতটা আনন্দের সেটা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। শুধু আমার জন্য দোয়া করবেন যেন বিদেশেও দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারি। শিরিন শিলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানে তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। গ্র্যান্ড ফিনালের এ আয়োজনে সুস্মিতা সেনের সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ছিলেন তাহসান খান, কানিজ আলমাস, টুটলি রহমান, রুবাবা দৌলা, ফারজানা চৌধুরী, ডিউক, ড. জারিন দেলোয়ার হোসাইন, আতাহার আলী খান ও স্টার ফারুক। আয়োজনের শুরু থেকেই বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন তারা। এবারের ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’-এর চেয়ারম্যান রিজওয়ান বিন ফারুক। প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালের মঞ্চে তিনি বলেন, সবার প্রতি ভালোবাসা।
আপনাদের সহযোগিতায় প্রথমবারের এ আয়োজন আমরা সফলভাবে শেষ করতে পারছি। উল্লেখ্য, এ আয়োজনটি যৌথভাবে করেছে রিজ ইভেন্টস, অফ ট্র্যাক ও ট্রিলজি। সেরা দশে থাকা প্রতিযোগীদের মধ্যে আরো ছিলেন মারিয়া মুমু, সানোবার তাইফা, স্মৃতি আক্তার, আফলা আমরার, তামান্না ইসরাত সোহানি, ঈরানা ইশরাত ও তৌসিবা ইসলাম আনিতা।