হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন গ্রেপ্তার

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে শনিবার রাতে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এর আগে দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা বাহিনী চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্সের (সিএসএফ) প্রধান অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ইসহাককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ওই দুইজনকে পল্লবী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডিএমপির মিরপুর বিভাগের ডিসি মোস্তাক আহমেদ জানান, দুপুরে র‌্যাব-৪ এর পক্ষ থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পল্লবী থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৭, ৩১ ও ৩৫ ধারায় র‌্যাব-৪ এর এসআই (নিরস্ত্র) আবু সাঈদ একটি মামলা (নম্বর-৪২) করেছেন। ওই মামলায় দুপুরে ইসহাককে ও রাতে হাফিজকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৪ থানায় সোপর্দ করেছে। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে সরকার ও সরকারি সংস্থা সম্পর্কে মেইলে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য আদান-প্রদানের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, রিমান্ড আবেদন করে ইসহাককে আদালতে পাঠানো হলে আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আর মেজর (অব.) হাফিজকে রোববার আদালতে পাঠানো হবে।

এদিকে, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার জানান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সিঙ্গাপুর থেকে ফেরার পর বিমানবন্দরেই তাকে আটক করা হয়। এরপর তাকে বিমানবন্দর থানায় নেয়া হয়। তিনি আরো বলেন, হাফিজ উদ্দিন আহমেদের শনিবার বরিশাল যাওয়ার কথা ছিলো।

গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব