মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন ‘জেএসডি’ যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি’ হাজি আনোয়ার হোসেন লিটন

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজি আনোয়ার হোসেন লিটন

‘আমার নদী ফিরিয়ে দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’; ‘দিল্লি না ঢাকা!, ঢাকা ঢাকা!’ ; ‘খুন হয়েছে আমার ভাই, খুনি তোদের রক্ষা নাই’; ‘দেশবিরোধী চুক্তি, মানি না মানবো না’;
দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিল ও এই চুক্তির বিরোধিতার কারণে আবরার ফাহাদ হত্যা।
বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করছি।
জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হওয়ার কারণে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নয় এমন একটি শক্তি যখন কৌশলে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে তখন তার পরিণতি দেশ ও দেশের জনগণের জন্য কতটা ভয়াবহ ও ক্ষতিকর হয় তার সাম্প্রতিক প্রমাণ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের ফলাফল। সফরকালে স্বাক্ষরিত চুক্তির মাধ্যমে সরকার বাংলাদেশের ফেনী নদী থেকে ১.৮২ কিউসেক পানি ত্রিপুরার সাবরুম শহরের জনগণের ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর নির্বিঘে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে যৌথ পর্যবেক্ষণের জন্য রাডার বসানোর অনুমতি দিয়েছে।

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশ থেকে এলপিজি গ্যাস সরবরাহের নিশ্চয়তা দিয়েছে। অথচ বহু বছর ধরে তিস্তা এবং ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা পাওয়ার ব্যাপারে শুধুই আলোচনা করে চলেছে। বানোয়াট কাহিনী আর আশ্বাস ছাড়া কিছুই নাই । আসামের নাগরিক পঞ্জির প্রেক্ষিতে কয়েক লাখ আসামবাসীকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়ার ব্যাপারে ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আসাম রাজ্য ও কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের স্পষ্ট হুমকির মুখে দুই প্রধানমন্ত্রীর যৌথ বিবৃতিতে এ ব্যাপারে ইতিবাচক কোনো স্পষ্ট প্রতিশ্রুতির উল্লেখ নেই।

তিনি বলেন, ভারতে পাটজাত দ্রব্যসহ অন্যান্য পণ্য রফতানির ওপর আরোপিত অন্যায় বাধা অপসারণে নিশ্চয়তা আদায় করতেও বাংলাদেশ সরকার নিদারুণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এতে বোঝা যায় যে, রাষ্ট্রীয় সফরের আগে সরকার যথাযথ প্রস্তুতি নেয়নি, দেশের জনগণকে কিছু জানতেও দেয়নি। এসব নিজ দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে শক্তিমান প্রতিবেশীকে খুশি করে ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখার সাময়িক ও ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র।

ইতিমধ্যেই দেশ ও দেশের জনগণের স্বার্থবিরোধী এসব চুক্তির প্রতিবাদে দেশবাসী ফুঁসে উঠেছে। সচেতন ছাত্রসমাজ আন্দোলনে সোচ্চার হয়েছে। সমালোচনায় ভীত সরকার তার দলীয় লাঠিয়ালদের দিয়ে ফেসবুকে প্রতিবাদী পোস্ট দেয়ার জন্য বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরারকে খুন করেছে। কিন্তু এই নৃশংস হত্যাকান্ড আন্দোলনের আগুনে ঘৃতাহুতি দিয়েছে মাত্র কাউকে ভীত করতে পারেনি। আজ গোটা দেশের জনগণ এই সরকারকে দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিসর্জনকারী এক ক্ষমতালিপ্সু শাসক বলে মনে করে। জনগণ মহান মুক্তিযুদ্ধের সোনালি ফসল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে এই দুরাচারী শাসকের পতন চায়।
এমন ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার বাস্তবায়ন করতে হবে। ছাত্ররাজনীতিরর নামে প্রকৃতপক্ষে সংঘবদ্ধ অপরাধ করছে ছাত্ররা।
বার্তা প্রেরক:হাজী আনোয়ার হোসেন

এমন ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার বাস্তবায়ন করতে হবে। ছাত্ররাজনীতিরর নামে প্রকৃতপক্ষে সংঘবদ্ধ অপরাধ করছে ছাত্ররা।