ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ নয়:ড. আসিফ নজরুল

আমাদের সংবিধানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের ‘অপপ্রয়োগ’ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের ‘প্রয়োগ’ সেখানে নিষিদ্ধ নয়, এমনকি ১৯৭২ সালের সংবিধানেও। সে কারণে ঢালাওভাবে ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতি নিষিদ্ধ করার অধিকার ডাকসুর আছে কিনা সেই প্রশ্ন তোলা অযৌক্তিক নয়। আমাদের সংবিধানে সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গি রাজনীতি নিষিদ্ধ, একাত্তরে যারা দালাল আইনে সাজা পেয়েছে তাদের নির্বাচনে অংশ নেয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু যারা এসব রাজনীতি করেন না বা একাত্তরে যাদের বিতর্কিত ভূমিকা নেই তারা ধর্মভিত্তিক রাজনীতির চর্চা কেন করতে পারবে না? সংবিধানে সন্ত্রাসী সাংগঠনিক কর্মকা- নিষিদ্ধ। ডাকসুর বরং উচিত ছিলো ক্যাম্পসে ও হলে সন্ত্রাসী তৎপরতা নিষিদ্ধ করা।

নির্বাচিত মন্তব্য : আলফা কক্স যারা খুন, ধর্ষণ, হত্যা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও সামাজিক বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িত তাদের নিষিদ্ধ করা হোক। এই বাংলাদেশে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের মানুষের বসবাস। যার ধর্ম সে পালন করবে। যার যেইটা পছন্দের সে সেই দল করার অধিকার রাখে। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা মানে মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করা। মনিরুল ইসলাম খোকন ঠিক বলেছেন, স্যার। বাংলাদেশে এমন কতেক ইসলামী দল রয়েছে যেগুলো মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে কথা বলে, ন্যায়বিচার ও জনগণের কথা বলে, ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কথা বলে, যাদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার কোনো অভিযোগ নেই, ঢাবিসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাদের রাজনীতি চর্চা নিষিদ্ধ করাকে কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। নাজিম উদ্দীন আহমেদ মেধাহীন নেতৃত্ব যেন-তেন কথা বলতে পারে। ডাকসুর কাজ কি? বিশ্বিবদ্যালয়ের কাজ কি? ছাত্রনেতাদের কাজ কি জেনে কথা না বলাই নানা মহলে বিতর্ক হচ্ছে। ধর্ম পবিত্র বাকি সবকিছু প্রশ্নবিদ্ধ! তবুও মানুষের কল্যাণে মানুষ যে আইনকানুন তৈরি করে, সেক্ষেত্রে বেশিরভাগ মানুষ সুফল পেলে তা মেনে চলে। এসব আইন নিয়মিত পরিবর্তন হয়। ফেসবুুক থেকে