যুবলীগের খালেদ শেখ হাসিনা হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী খালেদ

১৯৮৯ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেস্টা মামলার আসামী খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে হত্যা চেষ্টার সময় উপস্থিত ছিলেন খালেদ। নিউজ ২৪

জানা যায়, তৎকালীন ফ্রিডম পার্টির সঙ্গে তার যোগসুএ ছিলো। ওই হামলা মামলাসহ আরো অনেক আলোচিত হত্যা মামলার আসামী হয়েও কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়নি তাকে। তার প্রভাবশালী আইনজীবী বাবা তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন প্রতিবারই। ২০১৭ সালে মামলার রায়ে ফ্রিডম পার্টির মানিক, মুরাদসহ ১১ জনের ২০ বছর করে সাজা হলেও খালেদের কিছুই হয়নি।

এরপর ভোল পাল্টে, অর্থ আর ক্ষমতার জোরে বাগিয়ে নেন মহানগর দক্ষিন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ। মালিক হন অঢেল সম্পদের। অবশেষে শেষ রক্ষা হয়নি তার।
আরো পরুন : ডাকসুর অপরিণত সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া হবে না, বললেন ইশা

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ঘটনা পুর্ণতদন্ত করেন সিআইডি। সেখানে দেখা যায় খালেদ অলিভী নামে একজনের নাম আছে । ১৯৯১ সালে সুত্রাপুর থানার একটি মামলায় তাকে মৃত দেখানো হয়। প্রতিবেদনে মৃত ৩ জন আসামির মধ্যে এজনের মৃত্যুর কারণ উল্লেখ থাকলেও খালেদ অলিভী এবং অন্যজন কিভাবে মারা তার উল্লেখ নেই।

১৯৯৪ সালের শাজাহানপুর রেলওয়ের কলোনীর আলোচিত পলাশ হত্যা মামলায় আসামির তালিকায় খালেদ নাম রয়েছে। এছাড়াও একাধিক মামলায় শাজাহানপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ফ্রিডম পার্টির ক্যাডার মানিকের সাথে খালেদের নামটি এসেছে। সে সময় শীর্ষ সন্ত্রাসী মানিকের ছত্রছায়াতেই বেড়ে উঠে খালেদ মাহমুদ ভূইয়া।

শুধু দুই মামলায় নয় আরও অনেক মামলায় তার নাম এলেও বিচারের মুখোমুখি হতে হয়নি তাকে। কারণ তার বাবা আবদুল মান্নান ভূইয়া ছিলেন বিএনপিপন্থী প্রভাবশালী আইনজীবী এবং এ্যার্টনি জেনারেল। ৯১ সালের সুত্রাপুর থানায় করা মামলায় নিহত ব্যাক্তি অলিভীর নামের আগে খালেদ জুড়ে দেয়া হয়। ফলে সুকৌশলে তারা নাম মুছে দেয়া হয়।

খালেদ মাহমুদ ভূইয়ার কর্মচারী মোহাম্মদ আলী ফোনে বলেন, খালেদ এ ঘটনার সথে জড়িত ছিলো। একদিন তারা বাবা আমাকে বলেন, যদি অ্যাডভোকেট না হতাম খালেদের এসব মামলা গায়েব করতে পারতাম। সম্পাদনা : মাজহারুল ইসলাম