লেখা-পড়ার পাশাপাশি ছেলেময়েদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে ভিসি প্রফেসর ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী

লিডিং ইউনভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.মো: কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, প্রযুক্তির সুবাদে আমাদের ছেলেমেয়েরা অনেক কিছু শিখছে।যুগের সাথে তাল মিলিয়ে তারা বেশ পারদর্শিতার প্রমাণ দিচ্ছে। কিন্তু ছেলেময়েদের কেবল লেখাপড়া কিংবা প্রযুক্তি জ্ঞানে সীমাবদ্ধ হলে চলবে কিনা। তাদেরকে ভালো মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি গত ১৬ই সেপ্টেম্বর সোমবার সিলেট প্রেসক্লাবের আমীনুর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে -আফতাব চৌধুরী উচ্চ শিক্ষাবৃত্তি’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্যে রাখেন- প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য, সাংবাদিক ও কলামিষ্ট, শিক্ষাবৃত্তির স্পন্সর আফতাব চৌধুরী,ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল
হান্নান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ। কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শুয়াইবুলণ ইসলামের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ হান্নান, সাবেক সহ-ভাপতি আতাউর রহমান আতা,সিনিয়র সদস্য কামকামুর রাজ্জাক রুনু ওমো. দুলাল হোসেন। কুরআন তেলাওয়াত করেন ক্লাব সদস্য লুৎফুর রহমান তোফায়েল।বৃত্তিপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন আকবর হোসাইন, মুহাম্মদ হাসানুল বান্না, নাজমুল সামাহ, কাশফা রাজ্জাক চৌধুরী ও দিপংকর সিংহ অনিক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. কামরুজ্জামান চৌধুরী আরো বলেন, সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ছেলেমেয়েরা এখন প্রযুক্তি ও প্রকৌশল শিক্ষায় আগ্রহী হচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে অভিভাবকদের আরো সচেষ্ট হতে হবে। তিনি বলেন, সিলেট প্রেসক্লাব আফতাব চৌধুরীর শিক্ষাবৃত্তি চমৎকার কটি উদ্যোগ। এর ফলে প্রেসক্লাব সদস্যদের সন্তানরা উচ্চশিক্ষায় অনুপ্রাণিত হবে। ভিসি প্রফেসর কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আজকের দিনটি আমার জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সিলেট প্রেসক্লাবের সাথে যুগ যুগ ধরে আমার আত্মিক বন্ধন সুদৃঢ় থাকবে। আফতাব চৌধুরী বলেন,আমার লেখালেখির শুরু থেকেই সিলেট প্রেসক্লাবের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠে। দীর্ঘদিন ধরে একটি স্বপ্ন ছিল ক্লাবের জন্য এমন কিছু করব। আর এ আগ্রহ থেকে উচ্চ শিক্ষাবৃত্তি প্রদানে সহযোগিতা করেছি। উচ্চ শিক্ষাবৃত্তি নিয়মিত প্রদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৃত্তি যাতে নিয়মিত প্রদান করা যায় সেজন্য ট্রাস্ট গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে নিয়মিত প্রদান করা যায় সেজন্য ট্রাস্ট গঠন করা হবে।এর মাধ্যমে পরবর্তীতে প্রতিবছর বৃত্তি প্রদান করা হবে। সভাপতির বক্তব্যে ইকরামুল কবির বলেন, গত বছর প্রেসক্লাব সদস্যদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত আমাদের সন্তানদের উৎসাহ দিতে এবার উচ্চশিক্ষা বৃত্তি চালু করা হল। ভবিষ্যতে বৃত্তির অর্থের পরিমাণ আরো বাড়ানো হবে। স্বাগত বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ বলেন,কমিটি গঠনের শুরু থেকেই আমরা ক্লাবের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানামুখী
পরিকল্পনা গ্রহণ করি। এর মধ্যে ক্লাব সদস্যদের পরিবারের সন্তানদের জন্য কিছু করার প্রয়াস শিক্ষাবৃত্তি ২০১৮ এবং উচ্চ শিক্ষাবৃত্তি ২০১৯। এ বৃত্তি নিয়মিত প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, সিলেট প্রেসক্লাব সদস্য সাংবাদিকদের সন্তানদের মধ্য যারা ¯স্নাতক ও স্নাকোত্তর পর্যায়ে পড়াশুনা করছে তাদের জন্য এবার থেকে এ উচ্চশিক্ষা বৃত্তি প্রবর্তন করা হয়েছে।