তিন ক্যাসিনোতে র‌্যাবের ‘র‌্যাপিড অ্যাকশন’, ১৮২ জুয়ারি ৪০ লাখ টাকার মায়া কাটিয়ে কারাগারে

এই ক্লাবগুলোতেই ক্যাসিনো চলতো। মুক্তিযোদ্ধা ক্লাবে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় ৪০ জনকে। এসময় কয়েকটি পাসপোর্টও উদ্ধার করা হয়। নগদ পাওয়া যায় ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬১৫ টাকা। ফকিরেরপুল ইয়াংস মেনস ক্লাব থেকে আটক করা হয় ১৪২ জনকে। তাদের মধ্যে ৩১ জনকে ১ বছরের কারাদণ্ড ও বাকিদের ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। উদ্ধার করা হয় ২৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা। ওয়ান্ডারাস ক্লাবে অভিযান চালিয়ে নগদ ১০ লাখ ২৭ হাজার ২০০ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও ২০ হাজার ৫০০ টাকার জাল নোট পাওয়া গেছে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলম। অভিযানে জুয়ার ডিজিটাল ও অ্যানালগ সরঞ্জাম পাওয়া যায়।

এদিকে বনানীতে অভিযান চালানো হয়েছে গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ নামের একটা মদ ও জুয়ার আড্ডায়।

মু‌ক্তি‌যোদ্ধা ক্লা‌ব থে‌কে আটক ৪০ জনের ম‌ধ্যে ২জন‌কে একবছর ক‌রে ও বা‌কি‌দের ৬মাস ক‌রে কারাদন্ডা‌দেশ দি‌য়ে‌ছেন নির্বার্হী ম্য‌জি‌স্ট্রেট সারওয়ার আলম। আটক‌দের বিরু‌দ্ধে মাদক মামলা দা‌য়ের করা হ‌বে।

র‌্যাবের পক্ষ থেকে সচরাচর প্রেস বিফ্রিং করা হয়। আর পুরো অভিযান শেষের পরই চুলচেরা গুণাবাছা করে সব তথ্য গণমাধ্যমকে জানায় র‌্যাবের মিডিয়া উইং। তাতে বেশ সময় লাগবে। তবে অভিযানে অংশ নেয়ার অফিসাররা প্রাথমিক অনুসন্ধানের কিছু বিষয় জানিয়েছেন। র‌্যাব কর্মকর্তারা তাদের সোর্সের বরাত দিয়ে জানান, এই মু‌ক্তি‌যোদ্ধা ক্লা‌বের প‌রিচালক মু‌ক্তিযোদ্ধা আলী আহ‌ম্মেদ। র‌্যাবের পক্ষ থেকে সচরাচর প্রেস বিফ্রিং করা হয়। আর পুরো অভিযান শেষের পর চুলচেরা গুণাবাছা করে সব তথ্য গণমাধ্যমকে জানায় র‌্যাবের মিডিয়া উইং। তাতে বেশ সময় লাগবে। তবে অভিযানে অংশ নেয়ার অফিসাররা প্রাথমিক অনুসন্ধানের কিছু বিষয় জানিয়েছেন। র‌্যাব কর্মকর্তারা তাদের সোর্সে র বরাত দিয়ে বলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ ও যুবলীগ নেতা সম্রাটও অংশিদার হি‌সে‌বে আ‌ছেন।

উল্লেখ্য, রাজধানীতে যুবলীগের মদদে ৬০টি ক্যাসিনো চলছে বলে খবর প্রকাশ হওয়ার প্রেক্ষিতেই এই সাঁড়াশি অভিযান । য়ের হ‌বে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলম বলেন, ক্যাসিনোর মালিকানা যাদেরই হোকম ছাড় দেয়া হবে না। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এক শ্রেণীর দুর্বৃত্ত অপকর্ম করে।

সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব