ভিসি নিয়োগ রাজনৈতিক হবে এটাই স্বাভাবিক, বললেন শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল

পাবলিক বা সরকারি বিশ্বিবদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বদ্যালয়ের ভিসির ব্যাপারে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তার কেন নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে বাদ দেয়া হবে। ওদিকে গোপালগঞ্জের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এক সাংবাদিক ও ছাত্রীকে বহিষ্কারের মাধ্যমে মঙ্গলবার ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। বিবিসি বাংলা

ভিসিদের নিয়োগ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা নতুন নয়। রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগের বিষয়টি সকলেই বলে থাকেন। বাংলাদেশের ৪টি বিশ্বদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ সরকারের কোনো ভূমিকা থাকার কথা নয়।

এর মধ্যে একটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে অতীতে নিয়ম ছিলো ৪ জনের একটি ভিসি প্যানেল মনোনায়ন দেবে সিনেট। সেখান থেকে সরকার একজনকে ভিসি পদে নিয়োগ দেবেন। কিন্তু কয়েক বছর ধরে ঢাকাসহ ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ও ঐ নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। ফলে ৫০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সবগুলোতেই বর্তমানে সরকার সমর্থিত ভিসিরা নিয়োগ পেয়েছেন। সরকার থেকে নিয়োগ পাওয়ার কারনে সরকারের আদেশ নির্দেশকে তারা শিরোধার্য মনে করেন।

শিক্ষাবিদ মরিয়ম মনে করেন ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ভিসিরা নানা ভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে থাকেন। পরকর্তীতে যা বিতর্কের জন্ম দেয়। তিনি নিজেও স্বীকার করেন ভিসিদের রাজনৈতিক পরিচয়ই মুখ্য। জ্ঞান গুণ দ্বিতীয় যোগ্যতা।

বিশ্বিবিদ্যায়য় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে উন্নয়ন কাজে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। সরকার সমর্থিত এক শ্রেণির সুবিধাভোগ সেই অর্থে ভাগ বসাতে চান এবং সফলও হন।

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, দলীয় লোকদের সুবিধা দিতে গিয়ে নয়, ভিসির প্রশাসনিক কাজ কর্মে হয়তো জটিল পরিস্থিতিতে পড়েন কিম্বা বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। মন্ত্রী বলেন, ভিসিদের নিয়োগ রাজনৈতিক হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে প্রশাসন পরিচালনায়র ক্ষেত্রে ভিসিরা দূর্বল হলে বিতর্ক ওঠবেই। কিন্তু সমস্যা হলো, সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে হুট করে পারে না। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন