১১ কোটি টাকার কাজে ৫১ কোটি টাকার বিল

শেখ হাসিনা/আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে চলার ঘোষণাকে ছাগু/বামাতি পাড়া বিভিন্নভাবে কটাক্ষ করে আসছে। এবারের কটাক্ষে যোগ হয়েছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের দুর্নীতির বিষয়। যেখানে ১১ কোটি টাকার ক্রয়ের কাজের বিপরীতে ৫১ কোটি টাকার দেখানো হয়েছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেটি আটকে দিয়েছে। এখানে প্রশ্ন হলো এই যে ১১ কোটি টাকার কাজে ৫১ কোটি টাকার বিল, ৪০ কোটি টাকার দুর্নীতি। এই ভয়াবহ দুর্নীতি ধরা পড়লো কীভাবে, কোথায় ধরা পড়লো? কারা ধরলো? এখানে সরকারের ভূমিকা কি? রাজনৈতিক মহলের ভূমিকা কি? এসব প্রশ্ন কেউ করছে না।

১১ কোটি টাকার কাজে ৫১ কোটি টাকার বিল আটকে দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সেই বিল আটকানোর বিরুদ্ধে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অনিক ট্রেডার্স উচ্চ আদালতে মামলা করে। সেই মামলাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, অ্যাটর্নি জেনারেল দপ্তর, দুদক সম্মিলিতভাবে কাজ করে। এর ফলে আদালত আরও গভীর তদন্তের জন্য দুদককে নির্দেশ দেয়। দুদকের তদন্তেও দুর্নীতি প্রমাণিত হয়, অর্থাৎ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৪০ কোটির টাকার দুর্নীতির অভিযোগে বিল আটকে দেয়া যথাযথ বিবেচিত হয়। ঘটনার এই পর্যন্ত এই দুর্নীতির বিষয়টি মিডিয়াতে আসেনি, বরং এখানে সরকারের সকল মেকানিজম স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করেছে। এটিই মূলত শেখ হাসিনা/আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি। এই বিষয়টি নিয়ে বামাতি/ছাগু চক্র এমনভাবে পাবলিক পারসেপশন তৈরি করছে যেন সরকার পুরোপুরি এই দুর্নীতি করেছে, মিডিয়া সেটি প্রকাশ করছে মাত্র। অথচ বাস্তবতা উল্টো বলছে।