রেক্সিট বিক্ষোভ :ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে ‘শেইম অন বরিস’ স্লোগান

৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিটের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন পাঁচ সপ্তাহের জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট স্থগিত করায় ‘অভ্যুত্থান বন্ধ কর’ স্লোগানে বিক্ষোভ করেছে হাজারো বিক্ষোভকারী। শনিবার ম্যানচেস্টার, লিডস, ইয়র্ক, এডিনবোরা, কেমব্রিজ, নটিংহাম, এক্সেটার, লিভারপুল, ও বার্মিংহাম, বেলফেস্ট, নিউক্যাসেল, গ্লাসগো, সোয়ানসা, ব্রিস্টল ও আবেরডিনসহ ৩০টি শহরে ৮০টিরও বেশি বিক্ষোভ হয়। সিএনএন, বিবিসি, স্কাই নিউজ, দ্য গার্ডিয়ান

লন্ডনের হোয়াইট হলে বিক্ষোভকারীরা ‘বরিস জনসন, শেইম অন ইউ’ স্লোগান দেন। দুপুরে ডাউনিং স্ট্রিটের গেটের সামনে জড়ো হয়ে ‘বরিস জনসন শেইম অন ইউ’ স্লোগান দেন শতশত বিক্ষোভকারী। বিক্ষোভকারীরা বিখ্যাত ওয়াটার লু ব্রিজ বন্ধ করে স্লোগান দেন ‘হুমকির মুখে গণতন্ত্র ও পার্লামেন্ট।’ বরিস জনসনের পড়া অক্সফোর্ডের বেলিয়ল কলেজে ব্যানার ফেস্টুন হাতে জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা। মোমেনটামে বিক্ষোভকারীরা ব্রিজ দখল ও রাস্তা বন্ধ করে দেন। ম্যানচেস্টারে বিক্ষোভকারীদের হাতে ‘বরিস আউট’ লেখা প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

লন্ডনে ব্রিটেনের ছায়া অর্থমন্ত্রী জন ম্যাকডোনেল বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘এই লড়াই গণতন্ত্রের সুরক্ষার। বরিস জনসন, এটি পার্লামেন্ট বনাম জনগণ নয়, এটি আপনি বনাম জনগণ।’ ডাউনিং স্ট্রিটে ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডায়ানা অ্যাবট বলেন, ‘আমরা বরিসকে পার্লামেন্ট বন্ধ ও ব্রিটিশ জনগণের কণ্ঠরোধ করার অনুমতি দেব না।’

গ্লাসগোতে লেবার নেতা জেরেমি করবিন বলেন, ‘আগামী সপ্তাহ-ই চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট বন্ধ করার শেষ সুযোগ। চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট বন্ধে ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে আমাদের ছেড়ে দেয়া ঠেকাতে আমরা অবশ্যই এটি করব।’

আগামী সপ্তাহে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অনাস্থা প্রস্তাবের সম্মুখীন হতে পারেন বরিস। শুক্রবার এমপিদের এটি নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, ব্রেক্সিট বন্ধ বা বিলম্ব করার বিরোধীদের যে কোন পদক্ষেপ ইউরোপকে ব্রিটেনের জন্য একটি ভাল চুক্তি বন্ধ করার সুযোগ করে দেবে। ইতোমধ্যেই ব্রিটেনের তিনটি আদালতে ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পার্লামেন্ট স্থগিত করার বরিসের সিদ্ধান্ত নিয়ে আইনী চ্যালেঞ্জ দায়ের করা হয়েছে।