জিএসসি ‘সাউথ ইষ্টে’র উদ্দে‍্যাগে বনভোজনে “গ্রেট ইয়ারমাউথ-২০১৯”

বিলাতের অন‍্যতম সামাজিক ও বৃহত্তর সংগঠন “গ্রেটার সিলেট ডেভোলাপমেন্ট এন্ড উয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইউকে,র সাউথইস্ট রিজিওন বরাবরের মত এবার ও তাদের বনভোজন করে।ব‍্যাতিক্রমী হল এবার গন্তব‍্য স্থান ছিল ইংল‍্যান্ডের “নরফলকের ,গ্রেট ইয়ারমাউথ,”।
৩১ আগষ্ট ২০১৯ সালের শনিবার সকাল ১১.০০ টায় উপস্থিত সবাই বাসে আরোহন করেন । বাস ছিল ২টি,বড়টিতে যাত্রী সংখ‍্যা ছিল ৫০ জন এবং ছোটটিতে ১৬ জন। বাসে আর তিল ধারনের কোন স্থান ছিলনা। বাসের ডেকে ছিল পাক করা সুসাধু খাদ‍্য সামগ্রী।
আমার কাছে অন‍্যতম একটি আকর্ষন ছিল পেট্রন কে ম আবুতাহের চৌধুরীর ৭ বতসরের মেয়ে উম্মে হান্না চৌধুরীর সুমধুর কন্টের কুরআন তেলাওত। তার পবিত্র কুরআন পাঠের মাধ‍্যমেই শুরু হয় আমাদের শুভ যাত্রা। অন‍্য একটি আকর্ষন ছিল বিপুল সংখ‍্যক মহিলারা ও আমাদের সাথে অংশগ্রহন করেন । অনেক মহিলারা ছিলেন গ্রেটার সিলেট ডেভোলাপমেন্ট এন্ড উয়েলফেয়ার কাউন্সিলের নেতৃত্বে এবং তিনিদের মধে‍্য অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। তাছাড়া আর ও উপস্থিত ছিলেন অনেকের পরিবারের লোকজন।মহিলা নেতৃবৃন্দের মধে‍্য উপস্থিত ছিলেন মিসেস জোস্নাহ ইসলাম ,মিসেস শাহেদা চৌধুরী এবং মিসেস ফেরদৌসী বেগম। আর ও উপস্থিত ছিলেন সেন্ট্রাল চেয়ার পারসন জনাব বারিষ্টার আতাউর রহমানের পরিবার ,পেট্রন কে এম আবুতাহের চৌধুরীর পরিবার,ফজলুল করিম চৌধুরীর পরিবার ,এম এ আজিজের পরিবার ,আজম আলীর পরিবারসহ আরও অনেকেরই পরিবার ছিলেন।

যাত্রা পথে অনেক গানবাজনা ,হৈ হুল্লোড়ের মধ‍‍্য দিয়ে শুরু হয় এবং চলতে থাকে গন্তব‍্য স্থান পর্যন্ত।
মধুর কন্ঠে গান পরিবেশন করেন সেন্ট্রাল চেয়ার পারসন বারিষ্টার আতাউর রহমান ,প্রেট্রন কে এম আবুতাহের চৌধুরী,শাহেদা চৌধুরীসহ আর ও অনেকেই । গ্রেটার সিলেটের বর্তমান এবং ভবিষ‍্যত নিয়ে বক্তব‍্য রাখেন,জনাব ফজলুল করিম চৌধুরী,উল্লেখ‍্য যে তিনি যাত্রাপথের পরিচালনায় ও ছিলেন,। বক্তব‍্য রাখেন সেন্ট্রাল চেয়ার পারসন বারিষ্টার আতাউর রহমান ,পেট্রন কে এম আবু তাহের চৌধুরী, ফজলুল করিম চৌধুরী,জনাব এম এ গফুর ,জনাব আব্দুল মালিক কুট্টি,জনাব সূফী সূহেল আহমদ,।সূফী সূহেল আহমদ অনেক পরিশ্রম করেছেন ভ্রমনটি সকলের মনোপূত হওয়ার জন‍্য,এমনকি ভালভাবে খাদ‍্যদ্রব‍্য তৈরী ও পরিবেশন করার জন‍্য। তিনি পানি পানের ব‍্যাবস্থা ,গাড়ীর মধে‍্য কেক খাওয়ার ব‍্যাবস্থা ও সর্বাঙ্গীন সবকিছু দেখাশোনার ব‍্যাবস্থা নিয়ে খুবই পরিশ্রম করেছেন।
আমরা আমাদের নির্ধারিত সময়ের গন্তব‍্য স্থানে পৌছি,। সেখানে পৌছার পর প্রথমে সূসাধু বিরিয়ানী ও চানার ডাল পরিবশন করা হয়,সাথে দেয়া হয় পানির বোতল।খাওয়া শেষ হয়ে গেলে সবাইকে সমূদ্র সৈকত ,এবং শহরের বিভিন্ন স্থান গ্রোফ বেধে ঘুরে ঘুরে দেখার জন‍্য বলা হয়।
সকলেই কমবেশী উপভোগ করেন ,অনেকেই সমূদ্রে স্নান করেন । অনেকে একটি নতুন ধরনের গাড়িতে চড়ে সমস্ত সৈকত পরিদশর্ন করেন।

গ্রেটার সিলেটের কমবেশী ৭৫ জন পুরুষ ও মহিলা এই বনভোজনে উপস্থিত ছিলেন । সকলের নাম ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও প্রকাশ করা সম্ভব হয় নাই। তারপর ও অন‍্য একটি লেখা দিয়ে ২/৩ দিনের মধে‍্য প্রকাশ করা হবে সকলের নাম। যদি কারো কাছে সকলের নামের লিষ্ট থাকে অনুগ্রহ পূর্বক যথাস্থানে পাঠানোর জন‍্য অনুরুদ করা যাচ্ছে।
এখন ফেরত ভ্রমনের যাত্রা শুরু হয় ,সময়টি ছিল বিকার ০৭.৩০ মিনিট এবং হোয়াইট চ‍্যাপেলে এসে পৌছি রাত্রী ০৯.৩০মিনিট।ফিরতি ভ্রমনে আবার ও বিভিন্ন ধরনের গান,আং করিমের গান,গজর এবং হৈ হল্লোড়ে কাটে।

ভ্রমনের ব‍্যাপারে জিজ্ঞেস করলে সবাই ভালই বলেছেন। আগামী বতসর আবার ও যাত্রা হবে ,হয়ত অনেকেই থাকবেন এবং থাকবেন না ও হতে পারে। সকলের সূস্বাস্থ‍্য কামনা করে এই বতসর ২০১৯,র বনভোজনের সমাপ্তি হল। খোদা হাফেজ