যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট স্থগিতকরণকে অভ্যুত্থান বলছে ব্রিটিশ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের অনুরোধে পার্লামেন্ট স্থগিত করেছেন রানি এলিজাবেথ দ্বিতীয়। এই ঘটনাকে অগণতান্ত্রিক এবং বরিস জনসনের দ্বারা সংঘঠিত অভ্যুত্থান বলছে ব্রিটিশ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। সিএনবিসি

প্রায় সব গণমাধ্যমেরই অভিযোগ, যুক্তরাজ্যের ইইউ ত্যাগ করার মাত্র ৬৩দিন আগে বরিসের এই কাজ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। বরিস নিজের জেদ বজায় রাখতেই রাজনৈতিকভাবে এই অন্যায় কাজ করেছেন। ব্রিটিশ পত্রিকাগুলো বৃহস্পতিবার অত্যন্ত কঠিন ভাষায় শিরোনাম করেছে। তারা লিখেছে, ‘জনসনের অভ্যুত্থান’।

দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে, ‘জনসনের পার্লামেন্ট স্থগিতকরণে রাজনীতিতে উস্মা।’ এক ধাপ এগিয়ে দ্য ফিনানশিয়াল টাইমস এমপিদের আহ্বান জানিয়েছে, আস্থা ভোটের মাধ্যমে যেনো বর্তমান সরকারের পতন ঘটানো হয়। অবশ্য সব দৈনিকের চেয়ে উল্টো আচরণ করেছে ট্যাবলয়েড ডেইলি মেইল। তাদের শিরোনাম ছিলো, ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’। দ্য টাইম প্রথম পাতা জুড়ে বরিসের একটি ছবি দিয়ে লিখেছে, ‘ভাঙাভাঙি শুরু করলেন জনসন।’

এদিকে এই বিষয়ে আরো বেশি আক্রমনাত্মক ছিলো ইউরোপীয় দৈনিকগুলো। ডাচ দৈনিক ভলসক্রান্ত এর শিরোনাম ছিলো, ‘ক্ষমতা দখল।’ জার্মান গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলে শিরোনাম করেছে, ‘স্বৈরাচারী বরিস’। সম্পাদনা : ইকবাল খান