‘বেশি দিন জেলে থাকলে বেশি ভোট পাবেন’, কাশ্মীরি নেতাদের উদ্দেশে রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক

কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিসহ অন্যান্য নেতাদের গ্রেফতারের পর এখন পর্যন্ত স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়নি। মেহবুবা মুফতির পরিবার এধরনের অভিযোগ করলেও কাশ্মীর রাজ্য প্রশাসন এ জাতীয় কোনও আবেদন পাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। কাশ্মীর প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘ আমি মনে করি না যে শিগগিরই তাদের যে কোনও সময় মুক্তি দেওয়া হবে। তবে জেলে কাশ্মীরি নেতাদের আটক প্রসঙ্গে সেখানকার ন্যায়পাল সত্যপাল মালিক বলেছেন, আমি ৩০ বার জেলে গেছি এবং আমি এ কথা জানি যে তারা যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, শেষ পর্যন্ত বেরিয়ে আসার পরে তারা আরও বেশি ভোটে জয়লাভ করবেন। আমি আশা করি তারা এই পরিস্থিতির সদ্ব্যবহার করার মতো যথাযথ বুদ্ধি প্রয়োগ করবেন। এনডিটিভি

রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদের পর কেন্দ্রের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে উপকার হবে এই অঞ্চলের মানুষেরই। আগামী মাসগুলিতেই বিভিন্ন সরকারি বিভাগে প্রায় ৫০,০০০ শূন্যপদ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে। ব্যাপক বেকারত্ব এবং শূন্য বিনিয়োগের দিনগুলিও শেষ হয়ে যাবে। কাশ্মীরের জনগণকে এই নিয়োগ অভিযানে সক্রিয় অংশ নেয়ার পরামর্শ দিয়ে রাজ্যপাল বলেন, এই অঞ্চলে আপেল চাষকারী সাত লাখ কৃষক রয়েছেন, এবং তাদের নূন্যতম বিক্রয়মূল্য যাই হোক না কেন, আমরা তা দশ টাকায় বাড়িয়ে দেব। শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য কলেজগুলিরও উন্নয়ন করব।

রাজ্যপাল দাবি করেন যে জম্মু ও কাশ্মীরে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারির উদ্দেশ্যই হল অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়িয়ে ‘প্রাণহানি’ রোধ করা। টেলিফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগগুলি খুব কম ব্যবহার করা হয়েছে। কেননা পাকিস্তানী বাহিনী এবং সন্ত্রাসবাদীরাই এগুলো বেশি ব্যবহার করত এবং তাই আমরা এগুলির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি।