গ্রেপ্তারের ভয়ে ২২ শে আগস্ট প্রত্যাবসানে রাজি হয়নি কোনো রোহিঙ্গা

মিয়ানমার আসলে রোহিঙ্গাদের নিতে চায় না। এজন্যই ২২ শে আগস্ট প্রত্যাবসানের জন্য তালিকাভুক্ত ২৩৫টি পরিবারের অনেকের নাম সন্ত্রাসী হিসেবে প্রকাশ করেছে মিয়ানমার সরকার। এই অভিযোগ করেছেন রোহিঙ্গা নেতা আরকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস এন্ড হিউম্যান রাইর্টস সভাপতি মুহিব উল্লাহ। এই নেতৃত্বস্থানীয় রোহিঙ্গার অভিযোগ, ২২ আগষ্ট যখন প্রত্যাবাসন করার কথা বললো, তখন মিয়ানমার ২৭০ জন রোহিঙ্গাকে আরসার সদস্য বলে ইন্টারনেটে অপ্রপচার শুরু করলো। একে প্রত্যাবাসন বলেনা , নাটক করছে শুধুই। একাত্তর টিভি

টেকনাফ ও উখিয়ায় আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য বিশাল এক নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। শুধু তাই নয়, নিজেদের ভাষায় প্রচার করছে অনলাইন টিভি। যেখানে বলা হয়েছে মিয়ানমার গেলেই তাদের আটক করা হবে । গত ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা ভাষার সকল অনলাইন টিভির প্রধান খবর ছিলো উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের সমাবেশ। সৌদি আরব, পাকিস্তান, মালয়োশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে থেকে এসব টিভি চালায় প্রবাসী রোহিঙ্গারা। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমাবেশের খবর প্রচার করে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায় এখন সময়ের ব্যপার মাত্র।

এই বিষয়ে মুহিব বলেন, সব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে এসেছে এমন নয়। কেউ না কেউ রাখাইনে আছে। তাদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ আছে। কখন কাকে হত্যা বা গ্রেপ্তার করা হয় সব খবর আমাদের কাছে পৌঁছায়। মিয়ানমারের সরকার কি করছে সে খবরও আমাদের কাছে আসে।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের সব পুলিশ খারাপ নয় কিছু পুলিশ আমাদের বন্ধুও। তাদের মাধ্যমেও আমরা খবর পাই। আর এসব যোগাযোগ আমরা করি মোবাইলের মাধ্যমে।