জেরেমী করবিন সকল রিমেইন এমপিদেরকে বলেছেন নো-ডিল ব্রেক্সিট বন্ধে তাকে সাহায‍্য করার জন‍্য

জেরেমি করবিন দাবী করবিন নো-ডিল ব্রেক্সিট ইউকে,কে যুক্তরাষ্ট্রের করুনার উপর নিয়ে যাবে,তিনি সিনিয়র এমপিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ,দেশকে সমস‍্যার মধে‍্য যাওয়া থেকে বন্ধ করতে হবে।
ইন্ডেপেন্ডন্টকে লিখতে গিয়ে লেবারের এই নেতা বলেন ,নো-ডিল ব্রেক্সিট ইউকে,কে মি: ট্রাম্পের দয়ার উপর নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং আবারও বলেন নো-ডিল ব্রেক্সিট বাস্তবে হল “ট্রাম্প-ডিল ব্রেক্সিট”।
মি:করবিনের আজ সিনরিয় রিমেইনারদের সাথে নো-ডিল ব্রেক্সিটের মাধ‍্যমে বের হওয়া থেকে বন্ধ করার জন‍্য সভা আছে,তিনি তাদেরকে বলবেন দেশকে ধ্বংস থেকে রক্ষা করার ৩১ অক্টোবরের মধে‍্য নো-ডিল ব্রেক্সিট হওয়া থেকে বন্ধ করতে হবে।
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সাবধান করে দিয়ে বলেন,ছেড়ে দিয়ে ইউরোপিয়ান ডিল অথবা নো-ডিল ,ফলস্বরুফ হবে ব্যাঙ্কার্স ব্রেক্সিট যা “কেবল ধনী ব্যক্তিদেরই উপকার” করে।
কোনও চুক্তি নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনার রূপরেখা তিনি বলেছেন: ‘যে চুক্তি ইইউ ছাড়তে চান এবং যারা অব্যাহত সদস্যপদ চান তাদের মধ্যে লড়াই নয় ব্রেক্সিটকে থামানোর লড়াই।
এখানে যে যুদ্ধ হবে বেশী মানুষের যুদ্ধ হবে সামানে‍্যর বিরুদ্ধে,যারা রেফারেন্ডামের রিজাল্ট হাইজ‍্যাক করে তাদের দিকে নিয়ে গেছে।
আর সেকারনেই লেবার পার্টি ব‍্যাংকারস্দের ব্রেক্সিট বন্ধ করার জন‍্য যতকিছু করার প্রয়োজন,তা করে যাবে।
মি:করবিন বলেন যে ব্র্যাক্সিট সংঘাত সমাধানের জন্য দেশটির একটি ‘গণতন্ত্রের ইনজেকশন’ দরকার, যা একটি নতুন গণভোট বা সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আসতে পারে।

গার্ডিয়ানের এমন প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে আসে যে লেবার নেতা এমনকি ব্রেক্সিট সময়সীমার আগে নয় সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে একটি নির্বাচনকে সমর্থন করতে রাজি হবেন। ইন্ডিপেন্ডেন্টে তাঁর চিঠিটি অব্যাহত রেখেছিল: ‘সেই নির্বাচনে লেবার একটি গণভোটের প্রস্তাব দেবে, যার মধ্যে একটি বিশ্বাসযোগ্য ছুটি বিকল্প থাকবে এবং পাশাপাশি থাকার বিকল্প থাকবে।

‘তবে আমরা অন্যান্য বিকল্পগুলি বাতিল করব না যা এর ট্র্যাকগুলিতে এই ডিল-ডোর বিপর্যয় থামাতে পারে। আমি অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের সাথে এই সমস্ত বিকল্পগুলি নিয়ে আলোচনা করব। ‘আমি আশা করি আমরা একটি ভাল কাজের ব্যবস্থা করতে এসে সংসদে এমন অন্যকে নিয়ে আসতে পারি, যারা কোনও চুক্তি না হওয়ায় বিপর্যয়ের আশংকা দেখেন’। লেবার নেতা যখন জনগণের গ্রীষ্মের পরে ফিরে আসে তখন মিঃ জনসনের সরকারের প্রতি অবিশ্বাসের ভোট চাইবে।

এই মাসের শুরুর দিকে তিনি ব্রিটেনের ৩১শে অক্টোবর ইইউর প্রস্থান তারিখের মেয়াদ বাড়িয়ে সাধারণ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।
লিবারেল ডেমোক্রেট নেত্রী জো-সুইনসন একজন বিখ‍্যাত রিমেইনার,তিনি ও আজকের ক্রস পার্টি আলোচটনায় যোগ দেবেন।
তিনি এর আগে অস্থায়ীভাবে সরকার গঠন করতে গিয়ে জেরেমী করবিনকে স্বিকৃতি দিতে অস্বিকার করেছিলেন।
তিনি গতকাল লেবার নেতাকে চিটি লিখেছেন ,জাতীয় সমস‍্যার কাছে পার্ট পলিটিক্স কিছু নয়। এবং তা হতে দেয়া যায়না।
কর্বিনের সাথে আলোচনার জন্য প্রস্তুত অন্যান্য বিরোধী সদস্যদের মধ্যে রয়েছে এসএনপি ওয়েস্টমিনস্টার নেতা আয়ান ব্ল্যাকফোর্ড, চেঞ্জের ইন্ডিপেন্ডেন্ট গ্রুপ আনা স্যুব্রি এবং প্লেড সাইমরু ওয়েস্টমিনস্টার প্রধান লিজ সাভিল-রবার্টস। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন যে যুক্তরাজ্য ৩১ অক্টোবর কোনও চুক্তি বা ছাড়াই ইইউ ছাড়বে, তবে কমন্সের সংঘর্ষের মুখোমুখি হবে আগামী সপ্তাহগুলিতে ইস্যু উপর।
সোমবার জি ৭ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন যে ইইউর সাথে নতুন ব্রেক্সিট চুক্তি করার বিষয়ে তিনি ‘প্রান্তিকভাবে আরও বেশি আশাবাদী’, তবে অন্য ইইউ রাষ্ট্রকেও স্থল বদলে যাওয়ার দরকারের জোর দিয়েছিলেন। বোঝা যাচ্ছে যে মিঃ জনসন উচ্চ চেম্বারে ইউরোপ সম্পর্কে সরকারের অবস্থানের পক্ষে আরও সমর্থন পাওয়ার জন্য হাউস অফ লর্ডসে ব্রেক্সিট-সমর্থক সমবয়সীদের নিয়োগের চেষ্টা করছেন। ডেইলি টেলিগ্রাফ জানিয়েছে যে মিঃ জনসন ইইউ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করতে এই সপ্তাহে তার প্রধান ব্রেক্সিট উপদেষ্টা ডেভিড ফ্রস্টকে ব্রাসেলসে পাঠাচ্ছেন। কর্বিনের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে জেমস ক্ল্যাভারলি, একজন সংসদ সদস্য এবং কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান, তার বিরুদ্ধে ইইউ গণভোটের ফলাফল সরবরাহে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ করেছিলেন। তিনি আরও যোগ করেছেন: ‘ব্রেক্সিট সরবরাহের বিকল্প হ’ল ডাউনিং স্ট্রিটের জেরেমি কর্বিন; এমন এক ব্যক্তি যিনি অর্থনীতিকে ধ্বংস করে ফেলবেন, আমাদের ইউনিয়ন ভেঙ্গে ফেলবেন, অপরাধে নরম এবং ব্রিটেনের পক্ষে দাঁড়াবেন না। সমস্ত করবিন অফার বিশৃঙ্খলা, বিলম্ব এবং অনিশ্চয়তা।