স্বাধীন বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা সিরাজুল আলম খান (দাদা ভাই) সুস্থ হয়ে উঠেছেন

মহান স্বাধীন বাংলার রুপকার ও নিউক্লিয়াসের প্রতিষ্টাতা সিরাজুল আলম খান (দাদা ভাই)চিকিতসার জন‍্য গত ২৯ শে জুলাই ২০১৯ ইং আমিরাত এয়ার লাইনের একটি ফ্লাইটে নিউইয়র্কের উদ্দেশে‍্য রওয়ানা হয়ে ৩০ জুলাই ২০১৯ ইংরেজীতে পৌছান।তিনির ভক্তরা তাহাকে বিমানবন্দরে এসে স্বাগত জানান।
এমনিতেই উনির শারীরীক অবস্থা খুব ভাল নয়,তার উপর লম্বা ফ্লাইটের কারনে আর ও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তিনিকে Elmhurst Hospital Center এ নেয়া হয। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি ১২ দিন হাসপাতালে অবস্থান করেন।বর্তমানো কিছুটা সূস্থবোধ করার কারনে এখন থেকে ১০ ঘন্টা পূর্বে হাসপাতাল থেকে রিলিজ করা হয়।বর্তমানে তিনি বাসায় বিশ্রামে আছেন ।
তিনি দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন ধরনের রোগে ভূগতেছেন। দেশবাসীর কাছে এই মহান ব‍্যাক্তির জন‍্য দুয়া কামনা করা হইতেছে। ১৯৬২ সালে তিনি জনাব আং রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমদকে সাথে নিয়ে স্বাধীন বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার জন‍্য নিউক্লিয়াসের প্রতিষ্টা করেন।
সিরাজুল আলম খান দাদাভাই এমন একজন ব‍্যাক্তি যিনি তার নিজের জন‍্য কারো কাছে কিছুই চান নি। এই বয়সে ও তিনি রাত জেগে দেশ ও জাতীর জন‍্য কাজ করেন।
এইতো কিছুদিন আগে জনাব শামস উদ্দিন আহমদ (পেয়ারা)রচিত “আমি সিরাজুল আলম খান” বলছি বইটির কারনে যারা মুক্তিযুদ্ধের নেতা ও সৈনিকের দাবীদার বলেন,তাদের কাছ থেকে অনেক বিরুপ মন্তব‍্য আসে। এর মধে‍্য এমন ও লোক আছেন,যিনি নিজের মুখেই বলেছিলেন ১৯৬৯ ও ১৯৭০ ইংরেজীতে আমি ছিলাম সিরাজুল আলম খানের তোতা পাখী,সভায় উপস্থিত হওয়ার পুর্বে সিরাজ ভাই যা বলতেন তাই মূখস্ত করতাম এবং পরের দিন একই অবস্থায় চলতাম। এটা কাহারও কথা নয় ,ইউ টিউবে সন্ধান করলে পেয়ে যাবেন। এতকিছু হওয়ার পর ও দাদাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন,কাহারও কিছু করার দরকার নাই,ইতিহাস তার আপন গতিতে চলতে থাকবে,ইতিহাস কেউ লুকিয়ে রাখতে পারবেনা।
বইটির প্রকাশক চাপের মূখে বাধ‍্য হয়ে বইটি দোকানের সেল্ফ থেকে সরাইতে বাধ‍্য হন। এটার জন‍্য সিরাজুল আলম খানসহ সকলে মুক্তিযুদ্ধ করেন নাই।৩০ লক্ষ শহীদের ও ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জ্বতের বিনিময়ে এই স্বাধীনতার জন‍্য জন‍্য কেউ লড়াই করে নাই।