ফ্রান্সের বার্তা, ইরানের সঙ্গে সংলাপে বসতে কারো অনুমতির প্রয়োজন নেই

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভস লা দ্রিয়াঁ বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সংলাপে বসতে তার দেশ তৃতীয় কোনো পক্ষের অনুমতি নেবে না। ইরানের সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটার বার্তায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোকে মিশ্র ইঙ্গিত দেয়ার ব্যাপারে দোষারোপ করার করার লা দ্র্রিয়াঁ এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করলেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইরানের ব্যাপারে কথা বলার সময় ফ্রান্স সম্পূর্ণভাবে নিজের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখবে। ফ্রান্স পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে এবং এ অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টা চালাতে প্যারিস কারো অনুমতি নেবে না।

ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় বলেন, ইরান অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। কিন্তু ভুল বার্তা দেয়ার কারণে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আসছে না। এধরনের ভুল বার্তার জন্যে ট্রাম্প ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাঁক্রোকে দোষারোপ করেন। এমনকি ট্রাম্প বলেন, অন্যকেউ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করে না, ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্যে ওয়াশিংটন কাউকে কর্তৃত্ব দেয়নি। এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মরগ্যান ওরট্যাগস আবারো বলেছেন ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তেহরানের টেলিফোনোর অপেক্ষা রয়েছেন। তবে ইরানের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের এধরনের আলোচনার প্রস্তাবকে নাকচ করে বলা হয়েছে ওয়াশিংটন আলোচনার মাধ্যমে তেহরানের সামরিক শক্তিকে দুর্বল করতে চায়।

এদিকে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ফ্রান্স ইরানের পরমাণু সমঝোতায় অটল রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বাকি দেশগুলোর মতো ফ্রান্সও নিজের স্বাক্ষরিত সকল চুক্তির প্রতি সম্মান দেখায়। প্রেসটিভি/দি লোকাল