বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান লন্ডনের গার্ডেন অব পিচে সমাহিত

বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমানের ইন্তেকালের সাথে মুক্তিযুদ্ধের এক নক্ষত্র ঝরে পড়ল। এই বীর যুদ্ধা ১৯৭১ সালে দেশ মাতৃকার টানে বাংলাদেশকে পাকিস্তানিদের হাত থেকে মুক্ত করার জন‍্য ভারতে চলে যান।সেখানো ট্রেনিং নিয়ে বাকী যুদ্ধাদের সাথে একত্রীভূত হয়ে পাকিস্স্তানীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে মাতৃভূমিকে মুক্ত করেন । জাতীর কাছে তা চির স্বরনীয় হয়ে থাকবে।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। স্বাধীনতা যুদ্ধের অকুতোভয় এই যোদ্ধা গত তিন সপ্তাহ ধরে অসুস্থ ছিলেন। বার্মিংহাম সিটি হাসপাতালে ৬ আগস্ট যুক্তরাজ্য সময় ৬টা ১৮ মিনিটে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।জাতী হারাল তার এক সূর্য সন্তানকে।

মতিউর রহমান ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। সেক্টর কমান্ডার মেজর মীর শওকত আলীর নেতৃত্বাধীন মুক্তিবাহিনীর ৫ নং সেক্টরের অধীনে মতিউর রহমান সুনামগঞ্জের ভোলাগঞ্জ এলাকায় কয়েকটি সম্মুখ যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেন। মতিউর রহমানের বাড়ী সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা পূর্বপার গ্রামে।মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পূর্বে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার কয়েক বতসর পর ১৯৭৫ইংরেজীর শেষের দিকে তিনি যুক্তরাজে‍্য চলে যান।

অদ‍্য ৭ই আগষ্ট ২০১৯ ইংরেজী বাদ জোহর ইস্ট লন্ডন মসজিদে তার জানাজা অনূষ্টিত হয়। জানাজায় লোকে লোকারন‍্য ছিল।জানাজা শেষে তার লাশ লন্ডনের এক কবরস্থান “গার্ডেন অব পিচে সমাহিত করা হয়।
মৃত‍্যূকিলে তিনি ৪ মেয়ে এবং ৩ ছেলেসহ অনেক গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
বৃহত্তর সিলেটের সর্ববৃহত সংগঠন গ্রেটার সিলেট ডেভোলাপমেন্ট এন্ড উয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইউকে,র নেতৃবৃন্দ এক বার্তায় জানান তারা মরহুমের মৃত‍্যুর খবর পাওয়ার সাথে সাথে তার আত্মার শ্বান্তির জন‍্য দুয়া মহফিলের আয়োজন করেছেন।
জনাব রহমান স্কুলের শিক্ষাজীবন ঐতিহ‍্যবাহী পি এইচ জি স্কুলে সম্পন্ন করেন। কলেজ জীবনের লেখাপড়া সম্পন্ন করেন কুমিল্লাতে।