১২বছর ধরে রোগি দেখেন ভুয়া ডাক্তার করিম

১২ বছর ধরে এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয় দিয়ে আসছিলেন মোস্তাক আহমেদ করিম (৪৩)। র্যা বের অভিযানের পর জানা গেল পুরোটাই ভুয়া। অথচ তিনি ২শত টাকা ফি নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ শিমরাইল এলাকার কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন। যুগান্তর

এমবিবিএস পাশ তো দূরের কথা এইচএসসির পর আর পড়ালেখাই করেননি করিম। আগে তিনি ফার্নিচার ব্যবসায়ী ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে র্যা ব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী বলেন, সোমবার রাতে নিউ মুক্তি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে ভুয়া এমবিবিএস ডা. করিমকে রোগী দেখার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাবের-১১ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় ভুয়া ডাক্তার করিমের চেম্বারে ৫জন রোগী ছিলেন। এর মধ্যে ২জন পুরনো রোগী এক্স-রে ও রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট দেখাতে এসেছিলেন।

র‌্যাবের আরও জানায়, আটক ভুয়া ডাক্তারের পুরো নাম মো. মোস্তাক আহমেদ (করিম)। নামের সঙ্গে মিল থাকার সুবিধা নিয়ে সরকারি নিবন্ধনকৃত (২৬৬৩৩ নং) ডা. মো. মোস্তাক আহমেদের কোড ব্যবহার করে বহু বছর ধরে তিনি এ প্রতারণা করে আসছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার সালেহাকান্দি এলাকায়।

র‌্যাবের তথ্য মতে, যে প্যাডে তিনি রোগীকে প্রেসক্রিপশন দিতেন সেখানে তার পরিচিতিতে লেখা রয়েছে, ডা. মো. মোস্তাক আহমেদ (করিম) এমবিবিএস (ডি-অর্থো), পিজিটি (ডি-অর্থো), পিজিটি (ইমনটি ও হৃদরোগ) চিফ মেডিকেল অফিসার, সিকদার গ্রুপ, হাড়জোড়া, বাত ব্যথা, মেরুদণ্ড বিশেষজ্ঞ (ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)। ভিজিটিং কার্ডেও এসব মিথ্যা তথ্য দেয়া রয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিবন্ধনকৃত ডা. মোস্তাক আহমেদের নাম ব্যবহার করে তিনি এ প্রতারণা করে আসছিলেন বলে স্বীকার করেন করিম।