বরিস জনসনকে কোন ধরনের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা না বলার জন‍্য থেরেসা,মে গোয়েন্দা প্রধানকে বলেছেন

রিপোর্টে বলা হয় বরিস জনসন যখন ফরেনসেক্রেটারী হয়েছিলেন তখন রাষ্ট্রিয় গোপনীয়তা ডাউনিং স্ট্রিটের নির্দেশে তাকে বলা হয়নাই।
টরি ফ্রন্টরানারের বড় মূখের কারনে ভয়ে তাকে বিশ্বাষ করা যায়নি।
থেরেসা মে,মি: জনসনকে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন।
বিবিসি ও ডি সান দাবী করে টরি লিডারশীপের দৌড়ে অগ্রগামী ,যখন তিনি প্রথম ফরেন সেক্রেটারী হন ২০১৬ সালে, তখন অনেক গুরুত্বপূর্ন তথ‍্য তার কাছ থেকে গোপন রাখা হয়েছিল।
তখন তিনি তা জানতেন এবং এতে তিনি খুবই অসন্তুষ্ট ছিলেন।
মি :জনসনের সৌর্স এখন তা অস্বীকার যাইতেছেন,তিনি মনে করেন ,সবকিছু আইননুসারে হয়েছে।
সৌর্স ডি সানকে বলেন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে,বরিসকে বিশ্বাস করতে পারতেন না কারণ তার আলাদা জিহ্বা ছিল। এজেন্সি এ ব‍্যাপারে উদ্বিগ্ন ছিল। এ কারণেই তাকে সব কিছু বলা হয় নাই।
মি:জনসনের ১০ নং এ আসার পূর্বে প্রি মিটিংএর ব‍্যাপারে তাকে কিছুই বলা হয়নাই।

সম্ভবত তারা উভয়েরই পরিস্থিতির জন্য দোষ ভাগ করে নেবে, এবং এটি তাদের সবচেয়ে খারাপ বৈশিষ্ট্যগুলির সংঘর্ষ ছিল – বরিস একটি বড় মুখ এবং থেরেসা কন্ট্রোলের ব‍্যাপারে খামখেয়ালী হতে পারেন।
২০১৮ সালে ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে জনসন ফরেন সেক্রেটারী থেকে বিদায় নেন,কারন প্রকাশে‍্য তিনি থেরেসা মে,র সাথে একমত হতে পারেন নি।
সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রীর সাথে তথ্য ভাগ করে নেওয়ার বিষয়ে প্রথমবারের মতো প্রতিবেদনটি আসেনি।
২০১৭ সালের নভেম্বরে নিউ স্টেটম্যান বলেছিলেন যে কূটনীতিকদের তার উপর খুবই কম আস্তা ছিল।
ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের তার উপর আস্তা ছিল না। তাই তারা কোন ধননের তথ‍্য শেয়ার করতে ভয় পেত।
মি:জনসনের ২ বতসর ফরেন সেক্রেটারী হিসাবে অনেক গাফিলতি ছিল।
২০১২ সালের অক্টোবরে সির্ত, লিবিয়ার প্রাক্তন ইসলামিক স্টেট গার্ডহোল্ড বলার জন্য তার সমালোচনা করা হয়েছিল, ‘মৃতদেহগুলি নির্মূল করা হলে এই স্থানটি পরবর্তী দুবাই’ হতে পারে।

জনসন ভুলভাবে ইরানকে জানায় যে তিনি একজন সাংবাদিক ছিলেন, ব্রিটিশ-ইরানী মা নাজানিন জঘারি-র্যাটক্লিফ জেলে আছেন। এটি একটি গুপ্তচর ছিল এমনকি আরো trumped আপ চার্জ নেতৃত্বাধীন, যা ইউ কে সরকার এবং তার পরিবার দ্বারা স্পষ্টভাবে অস্বীকার করা হয়েছে।

ভোটিং আগামীকাল টরি বিশ্বস্তের কাছে খোলা হবে, যিনি জনসন এবং জেরেমি হান্টের মধ্যকার নতুন রক্ষণশীল নেতা এবং সেইজন্য প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচন করবেন। উভয়ে চান ব্রেক্সিটের মাধ্যমে ব্রিটেনকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তৃণমূল সদস্যকে সন্তুষ্ট করার জন্য কয়েকটি হস্টিংয়ের মধ্যে অংশ নিচ্ছে।