মুরসির মৃত্যুতে মিসরে কয়েদিদের দুরবস্থা দেখল বিশ্ব

মুরসির মৃত্যুতে মিসরে কয়েদিদের দুরবস্থা দেখল বিশ্ব

আদালতের কাঠগড়ায় বিনা চিকিৎসায় গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মিসরের প্রথম প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির করুণ মৃত্যুতে দেশটির জেলখানায় কয়েদিদের দুর্দশার চিত্র ফুটে উঠেছে।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মুখপাত্র তালাত ফেহমি বলেন, আমাদের দলের ৬০ হাজার বন্দিকে জেলখানায় পরিকল্পিতভাবে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করছে সরকার। আমরা এ ব্যাপারে জাতিসংঘের একটি তদন্ত চাই। খবর আনাদোলুর।

মুরসির ছেলে আবদুল্লাহ তার বাবার এ করুণ মৃত্যুর জন্য দেশটির সামরিক শাসক আবদেল ফাতাহ আল সিসিকে দায়ী করে এর বিচার চান।

আদালতে ১৭ জুন বিচারের শুনানির ফাঁকে আকস্মিক পড়ে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ৬৭ বছর বয়সী মুরসি।
কিন্তু তার মর্মান্তিক মৃত্যুতে ফেরাউনের দেশ মিসরের সংবাদমাধ্যমগুলোতে তেমন তাৎপর্য বহন করেনি।

মুরসির মৃত্যুর চেয়ে দেশটি যে চলতি বছরের আফ্রিকান কাপ অব নেশনের আয়োজন করছে, সেটিই যেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কাজেই পত্রিকাগুলোর প্রথম পাতাতে এই খেলার খবরই বড় করে প্রকাশ করা হয়েছে।

বরং ভেতরের পাতায় ছোট করে ছাপানো হয়েছে এই মৃত্যুর খবরকে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনগুলোতেও মুরসির কথা তেমন একটা উল্লেখ করা হয়নি। তিনি যে দেশটির প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট, তা উল্লেখের বদলে তার পূর্ণাঙ্গ নাম উচ্চারণ করা হয়েছে।

খুবই ছোট করে, আরবি শব্দে মাত্র ৪২টি শব্দে মুরসির মৃত্যুর খবর প্রচার করেছে মিসরীয় পত্রিকা, রেডিও ও টেলিভিশন।

মুরসির মৃত্যুর পর মিসরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশে জরুরি অবস্থাও জারি করেছিল।