সিরাজুল আলম খান সম্পর্কে তোফায়েল আহমদ ও সাংবাদিক পীর হাবিবের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে শতাধিক প্রবাসী সাবেক ছাত্রনেতা ,মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ

তোফায়েল আহমেদ এবং সাংবাদিক পীর হাবিবের সিরাজুল আলম খান সম্পর্কে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছে শতাধিক প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা এবং সাংবাদিক ও রাজনৈতিক কর্মী , এরা আমেরিকা, ইংল্যান্ড , জার্মানি , সুইজারল্যান্ড , ফ্রান্স এবং ইটালিতে বসবাসরত । বিবৃতি দাতারা ৬০ এনং ৭০ দশকে ছাত্রলীগ এবং অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং কয়েকজন স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াসের সদস্যও ছিলেন বিবৃতিতে তারা বলেন সিরাজুল আলম খান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় একটি নাম। এবছর ফেব্রূয়ারি মাসে জনাব শামসুদ্দিন পেয়ারা সিরাজুল আলম খানের জবানবন্দী প্রকাশ করেছেন “আমি সিরাজুল আলম খান” গ্রন্থে। এই গ্রন্থে প্রকাশিত তথ্যের বিরোধিতা করে এবং অসত্য এই মর্মে জনাব তোফায়েল আহমেদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে “বাংলাদেশ প্রতিদিন” পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক জনাব পীর হাবিবুর রহমান যে সব প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন তা আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। জনাব তোফায়েল আহমেদ যে ভাবে জনাব সিরাজুল আলম খানকে মিথ্যাবাদী প্রমাণের চেষ্টা করেছেন আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আজ স্বার্থে অন্ধ হয়ে জনাব তোফায়েল আহমেদ নিজের অতীত ভুলে গেছেন এবং নিজের অতীতের সাথে সাথে ছাত্রলীগের অতীতকেও বিকৃত করার চেষ্টা করছেন। আমরা যারা সে সময় ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ছিলাম, আমরা ভুলে যাইনি সেসব দিনের ইতিহাস।

ষাটের দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগে দু’টো গ্রূপ ছিল, সিরাজ গ্রূপ আর মনি গ্রূপ। সিরাজ গ্রূপের নেতা সিরাজুল আলম খান আর অন্যটির নেতা শেখ ফজলুল হক মনি। সিরাজ গ্রূপের একটি অন্তর্নিহিত দর্শন ছিল পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা অর্জন করা এবং স্বাধীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। এর অন্তর্নিহিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য ১৯৬২ সালে সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদ “নিউক্লিয়াস” গঠন করেছিলেন – এই তথ্য আজ নতুন নয়। এই তথ্য অতীতে বহুবার উঠে এসেছে জনাব আব্দুর রাজ্জাকের সাক্ষাৎকারে এবং কাজী আরেফ আহমেদের লেখায়। তখন তো জনাব তোফায়েল আহমেদকে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি! আজ সিরাজুল আলম খান সেই একই কথা বলায় জনাব আহমদের এত গাত্রদাহ হচ্ছে কেন?

বরিশাল থেকে জনাব তোফায়েল আহমেদ যখন ঢাকা এসেছিলেন তখন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে তার স্থান করে দেওয়া, ডাকসুর ভিপি পদে ওনাকে পাস করিয়ে আনা, সুবক্তা হিসেবে গড়ে পিঠে নেবার পিছনে সিরাজুল আলম খানের অবদানের ইতিহাস জনাব তোফায়েল ভুলে গেলেন কি করে? যদি তিনি ডাকসুর ভিপি না হতেন, যদি তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি না হতেন তাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কাছ পর্যন্ত ওনার পৌঁছানো হতো না সেটা তিনি বুঝেও না বোঝার ভান করছেন। তিনি দর্শকদের চোখের সামনে কি ঘটেছিলো সেটা দিয়ে পর্দার অন্তরালে পরিচালকের ভূমিকাটা অস্বীকার করার চেষ্টা করছেন। এখানে ছোট একটা উদাহরণ হিসেবে আমরা ঊনসত্তর সালের ২৪শে জানুয়ারীর একটি ঘটনার উল্লেখ করতে চাই। পুলিশের গুলিতে যখন মতিউর নিহত হয়েছিল, মতিউরের লাশ নিয়ে মানুষের ঢল নেমেছিল, লাশ নিয়ে জনতা জমায়েত হয়েছিল তৎকালীন ইকবাল হলের মাঠে, আন্দোলন গণ অভুত্থানে রূপ নিয়েছিল। সেই জমায়েতে সুচারু নির্দেশনা দিয়ে, বক্তব্য রেখে আন্দোলনকে সঠিক ধারায় প্রবাহিত করেছিলেন জনাব সিরাজুল আলম খান, তোফায়েল আহমেদ নন বা সংগ্রাম পরিষদের নেতারা নয়।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক জনাব পীর হাবিবুর রহমানাকে আমরা বলতে চাই, আপনি একজন সাংবাদিক, সত্যের সন্ধান করা আপনার কর্তব্য। কারও উদ্দেশ্য প্রনোদিত বক্তব্যে প্রভাবিত হয়ে আপনার প্রতিবেদন লেখা পক্ষপাতদুষ্ট তাতে কোন সন্দেহ নেই। আপনার উচিৎ অনুসন্ধান করা এবং তথ্যের ভিত্তিতে দুপক্ষকে তুলে ধরা। কোন অনুসন্ধান ব্যতীত একজন ব্যক্তির বক্তব্যকে পুঁজি করে প্রতিবেদন লেখা নীতি বিরুদ্ধ কাজ। আমরা জনাব রহমানের ভূমিকার গভীর নিন্দা করছি। সাথে সাথে এ প্রসঙ্গে সিরাজুল আলম খানের বক্তব্য প্রকাশের জোর দাবী জানাচ্ছি।”

বিবৃতি দাতারা হচ্ছেন , লুৎফা হাসীন রোজী, রফিকুল ইসলাম, কামাল সাইদ মোহন, হাবিব বাবুল, নাজির খসরু, হারুনুর রশিদ, সাকী চৌধুরী, খালেদ নোমান নমি , মীর মোনাজ হক, বাবুল সৈয়দ, মাহাবুবুল আলম নাজিম চৌধুরী, শামীম আহমেদ, সমীর উদ্দিন , ডাঃ গিয়াসুদ্দিন, নুরুল আমিন, মজিবুল হক মনি ,সৈয়দ মাবুদ , মতিউর রহমান ,চৌধুরি শাহেদ কামাল টিটো, হুমায়ুন কবির , ব্যারিস্টার ফারাহ খান , কাজী আসাদুজ্জামান , সালাউদ্দিন ইরান, মনসুর চৌধুরী , রাহমাত সাদি রুমু,নজরুল ইসলাম,হাবিবুর রহমান ,এমরান আহমেদ লুতফর মঈন,আজাদ মিয়াজি

তরিকুল ইসলাম
আতাউল হক
খোরশেদ আলম
মুর্শেদ মজুমদার
মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম
রাশেদ বারী
কালিপদ রায়
ফয়সল আহমেদ
আনিসুজ্জামান খোকন
মুক্তিযোদ্ধা আফছার উদ্দীন
শামশু ইউ আহমেদ শামীম
মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ চৌধুরী
মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ আহমেদ
মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম
মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর হোসেইন
কুলসুম আকতার সুমি
শ্যামা শ্যামলিপি
সিকদার গিয়াসউদ্দিন
মোহাম্মদ শরীফউদ্দিন
মোহাম্মদ রফিক উল্লাহ
মাষ্টার আবুল কালাম
মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন
ফখরুল আলম
শাহাবউদ্দিন
প্রফেসর শেফায়েতউল্লাহ মজুমদারএডভোকেট জসীমউদ্দীন
এডভোকেট মুজিবুর রহমান কুমিল্লা
হেলালউদ্দিন
হাজী আনোয়ার হোসেন
ডা: সারোয়ারুল হাসান চৌধূরী
ইন্জিনিয়ার তসলিম উদ্দিন
শামশুল ইসলাম
সূভাষ মজুমদার
মোস্তফা জামান
আশরাফ আহমেদ মিলন
বেলায়েত হোসেন সিলেট
মোহাম্মদ আবুতাহের
সারওয়ার হোসেন
সালামত উল্লাহ
)এস এইচ এমদাদ
মুশফিকুর চৌধূরী খসরু
মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়া ৪৩)রায়হানুল ইসলাম চৌধূরী
আবদুল মালেক
মুক্তিযোদ্ধা আকতারুজ্জামান
বেলায়েত হোসেন কুমিল্লা
মশিউর রহমান
শিব্বির আহমেদ
সৈয়দা লাকী খালেক
কাজী আজম বাদল
আলতাফ হোসেইন
হারুণ রশীদ
আলমগীর মোল্লা
আকবর হোসেন
আলী হোসেইন
মোস্তফা আলী
রহমত উল্লাহ
হাসান চৌধূরী
বুলবুল মিয়া
আবদুল মুকিত
শাহ আলম
মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম
আবুল কালাম
রাশেদ চৌধূরী
নওশাদ ভূঁইয়া
)মাহবুব ভূঁইয়া ননী
আসাদুজ্জামান
নূরুল আমিন
মিল্লাত রহমান
আজগর আলী
বুলবুল ভূঁইয়া
ইউনূস আলী
মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালেক
মুক্তিযোদ্ধা মেঝর(অব:)হাবিবুর রহমান
মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রহিম
ইকবাল হোসেন
তারেক মোহাম্মদ তানভীর হোসেন
ইসমাইল হোসেন পাঠোয়ারী
ইলিয়াছুর রহমান
আরমান হোসেন
বেলাল উদ্দিন
লাভলু সরকার
গুলজার হোসেন খোকন
তাসলীমা আকতার শীলা
আনোয়ার হোসেন
কিরণ ভূঁইয়া
হারুনুর রশীদ
এস এম দুলাল প্রমুখ ।