তোফায়েল আহমদকে মনগড়া বক্তব‍্য দেয়ার জন‍্য সিরাজুল আলম খানের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত:জেএসডি যুক্তরাজ‍্য

বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ও বর্তমান সংসদ সদস্য জনাব তোফায়েল আহমেদ তাঁর রাজনৈতিক ‘গুরু’ জনাব সিরাজুর আলম খান কে ইতিহাস বিকৃতি ও কল্পকাহিনীর জন্য ক্ষমা চাইতে হবে বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন ।
জনাব তোফায়েল আহমদ নিজেই তার বিভিন্ন সময়ের বক্তবে‍্য স্বীকার করছেন,সিরাজুল আলম খান ১৯৬২ সালে ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন এবং তখন সভাপতি ছিলেন কে এম ওবায়দুর রহমান । তিনি আরও বলেছেন সিরাজুল আলম খান ছিলেন তার রাজনৈতিক গুরু এবং ৬৯-৭০ সালের ছাত্র আন্দোলনে এই সিরাজুল আলম খানই তিনিকে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন ।তারই নির্দেশনায় তিনি আন্দোলন চালিয়ে গেছেন।
আমরা জানি ১৯৭৫ সালে তোফায়েল আহমদ যখন রক্ষীবাহিনী প্রধান ছিলেন, তখনই কিছু সংখ‍্যক সামরিক দুষ্কৃতিকারী বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারকে হত‍্যা করেছে ,তখন জনাব তোফায়েল আহমদ কোথায় ছিলেন ।
তিনি বলেছেন সিরাজুল আলম খান কি জানতেন বঙ্গবন্ধুকে নির্মম ভাবে হত‍্যা করা হবে ।,সিরাজুল আলম খানের পাসপোর্ট কার নির্দেশে বাতিল করা হল। তোফায়েল সাহেব একজন সিনিয়র নেতা তিনি নিশ্চয়ই জানতেন।তোফায়েল সাহেব হয়ত চাইতেন না,সিরাজুল আলম খান দেশে ফিরে আসেন।
তোফায়েল আহমদের বক্তবে‍্য বুঝা যায় ,তিনি নিউক্লিয়াসের সবকিছু জানেন,কিন্তু কেন এই নিউক্লিয়াসের অস্থিত্বকে অস্বীকার করতেছেন,তা কারোর বোদগম‍্য নয়।
আমরা যুক্তরাজ‍্য জেএসডি,র পক্ষ থেকে তোফায়েল আহমদের বক্তবে‍্যর তিব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং অভিলম্বে সিরাজুল আলম খানের কাছে মাফি চাওয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি।

আলহাজ্ব ছমির উদ্দান হুমায়ুন কবীর
সভাপতি ভারপ্রাপ্ত সদস‍্য সচিব
যুক্তরাজ‍্য,জেএসডি যুক্তরাজ‍্য,জেএসডি ১৪/০৬/২০১৯