এই বিশ্বকাপে আজই খারাপ খেললো বাংলাদেশ

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ২১ রানের জয়ের আনন্দ ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে আরও দুটি ম্যাচ খেললেও জয়ের আলো জ্বালাতে পারেনি টাইগার সেনারা। ৫ জুন দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত লড়াই করে ২ উইকেটে হারের পর শনিবার তৃতীয় ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের কাছে আত্মসমার্পণ করেছে ১০৬ রানে।

ইংল্যান্ডের করা ৩৮৬ রানের জবাবে লাল-সবুজের দলটির ইনিংস ২৮০ রানে গুটিয়ে যায়। এই ম্যাচে প্রাপ্তি বলতে কেবল সাকিবের সেঞ্চুরি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি ক্রিজে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে আদায় করে নিয়েছেন ৯৫ বলে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম শতক আর ক্যারিয়ারে অষ্টম। দেশসেরা এই ক্রিকেটার ১১৯ বলে ১২১ করে বেন স্টোকসের বলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন।

একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলো বাংলাদেশের ওরা ১১ জন। ইংলিশদের করা ৬ উইকেটে ৩৮৬ রানের জবাবটা তো সহজ নয়। এই স্কোর বিশ্বকাপের ইতিহাসে তাদের সর্বোচ্চ দলীয়। এই রান তাড়া করে জিততে হলে বাংলাদেশকেও পাল্টা রেকর্ড গড়তে হতো। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩২৯ রান তাড়া করে ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়েছিলো আয়ারল্যান্ড।

এদিন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে পায় ইংল্যান্ড। টাইগারদের সামনে রানের পাহাড় গড়ায় বড় ভূমিকা রাখেন জেসন রয়। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে এই ওপেনার একাই ১৫৩ রান করে ইংলিশদের স্কোরবোর্ডে রানের ফোয়ারা ফোটান। সাথে জনি বেয়ারস্টো, জস বাটলার, ইয়ন মরগান ও শেষ দিকে লিয়াম প্লাঙ্কেট ও ক্রিস ওকসের ছোট কিন্তু বিধংসী দুইটি ইনিংসে ভর দিয়ে বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় ইংল্যান্ড।
বাংলাদেশের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন ও মেহেদী হাসান মিরাজ। একটি করে উইকেট পেয়েছেন মাশরাফি ও মুস্তাফিজুর রহমান।

জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই ওপেনার সৌম্য সরকারকে হারিয়ে চাপে পড়ে লাল-সবুজের দল। এরপর আরেক ওপেনার দলের নির্ভরতার প্রতীক তামিমকেও হারায় বাংলাদেশ। দলের ৬৩ রানে দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে মাশরাফির দল ‘শ্যাম রাখি না কুল রাখি’ অবস্থার মধ্যে খেলা চালিয়ে যায়। সাকিবের ১২১ ও মুশফিকের ৪৪ রানের ইনিংসই ছিলো উল্লেখযোগ্য। ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস নিয়েছেন ৩ উইকেট।